আজ সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬           আমাদের কথা    যোগাযোগ
Owner

শিরোনাম

  জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল কপোতাক্ষ নিউজের জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী প্রার্থীরা ০১৭১৯২৮০৮২৭ নাম্বারে যোগাযোগ করুন।  

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও আমাদের শিক্ষা: এম. এ. আলিম খান


নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও আমাদের শিক্ষা: এম. এ. আলিম খান

প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ৫, ২০১৯   পঠিতঃ 320733


নৈতিক মূল্যবোধের অভাবে দিনদিন সামাজিক অস্থিরতা বাড়ছে। তুচ্ছ ঘটনা বা সামান্য স্বার্থের জন্য কত মানুষকে  জীবন পর্যন্ত দিতে হচ্ছে। নৈতিক বা অনৈতিক যেভাবেই হোক আমরা নিজের স্বার্থ হাসিল করতে মরিয়া। দৈনন্দিন জীবনে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয় দিন দিন বেড়েই চলেছে। যার লাগাম না টানলে জাতিকে চরম মাশুল দিতে হতে পারে। তবে আমরা কিছুটা হলেও আশার আলো দেখছি। নীতি নির্ধারকরা বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন এবং এ অবস্থা থেকে উত্তরণে কাজ শুরু করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান মহোদয়ের আকস্মিক স্কুল পরিদর্শন আমাদের আশান্বিত করছে। সরকারকেও এ বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক বলে মনে হচ্ছে। আমরা প্রত্যশা করি, দুর্নীতিরোধে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। 

“সকালে উঠে আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি।” কবি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ‘আমার পণ’ কবিতার এই লাইনগুলো অন্তরে ধারণ করা লোকের সমাজে আজ বড় অভাব। আমাদের পাঠ্যবই খুবই সমৃদ্ধ ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশের জন্য আদর্শগুণাবলী অর্জনের জন্য যথেষ্ট তার পরও কেন জানি কোথায় গলদ রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ড. আতিউর রহমানের মতে, “মানুষের মৌলিক চাহিদাসমূহ যেমন- শিক্ষা, বাসস্থান ও চিকিৎসার বাণিজ্যিক প্রবণতা ও কাঠামোগত ত্রুটি সমাজের নৈতিক অবক্ষয় ত্বরান্বিত করছে।” 

সমাজকাঠামোর অবিচ্ছেদ্য একটি উপাদান মূল্যবোধ যা সামাজিক আচার আচরণের সমষ্টি। ফ্রাঙ্কেল এর মতে, “মূল্যবোধ হলো আবেগ ও আদর্শগত ঐক্যের বোধ।” মানুষের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে মূল্যবোধ।  নৈতিকতার ও মূল্যবোধ অর্জনের প্রধান উৎস পরিবার। শিশুকাল থেকে মূল্যবোধের বিকাশ শুরু হয়। মূল্যবোধ শিক্ষা মানুষের বিবেকবোধ জাগ্রত করে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে। 

মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ করে নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন একটি সুন্দর সমাজ ও দেশ গড়তে ব্যক্তি, প্রাতিষ্ঠানিক ও বাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। ২০০৮ সালে এম.ই. চৌধুরী শামীম ও দিলারা এ খানের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় এথিকস ক্লাব বাংলাদেশ। ২০১১সালের ১লা জানুয়ারি এথিকস ক্লাব দেশে প্রথম বারের মত ‘নৈতিকতা দিবস’ পালন করে।  ২০১৭ সাল থেকে তারা ২৬ জানুয়ারি দিবসটি পালন করছে। এই ক্লাবের কার্যক্রম কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে লক্ষ্য করা যায়। ২০১১ সালের ২৪ জানুয়ারি ক্লাবটির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট এম.ই. চৌধুরী শামীম ও প্রধান নির্বাহী দিলারা এ. খান ১লা জানুয়ারিকে ‘বিশ্ব নৈতিকতা দিবস’ পালনের অনুরোধ জানিয়ে তৎকালীন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী পর্যবেক্ষক ড. আব্দুল মোমেনকে পত্র দিয়েছিলেন। সংগঠনটি ২০১৭ সাল থেকে ১লা জানুয়ারির পরিবর্তে ২৬ জানুয়ারি ‘নৈতিকতা দিবস’ পালন করছে এবং ২৬ জানুয়ারিকে ‘বিশ্ব নৈতিকতা দিবস’ পালনের জন্য অনুরোধ জানিয়ে সভা সমাবেশ করছে।

২০১৩ সালে রাজধানী ঢাকায় কয়েকজন ব্যক্তি মিলে গড়ে তোলেন ‘বাংলাদেশ এথিক্স ফাউন্ডেশন’। তাঁদের মধ্যে অন্যতম সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট ও বুয়েটের প্রাক্তন উপাচার্য প্রফেসর ড. ইকবাল মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এ. এম.এম. খায়রুল বাশার। আমরা এখন বিভিন্ন স্কুলে যে ‘সততা স্টোর’ বা অনেস্টি শপ দেখছি এটা প্রথম ২০১৬ সালে বাংলাদেশ এথিক্স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত কার্ডিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে শুরু হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তারা উক্ত সততা স্টোর ৫বার পরিদর্শন করেন। তারপর পরীক্ষামূলকভাবে দুদক মুন্সিগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার ৫টি করে মোট ১০টি স্কুলে ‘সততা স্টোর’ চালু করে। সততা স্টোরের সফলতা পর্যালোচনা দুদক দেশের বিভিন্ন উপজেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘সততা স্টোর’ চালু করতে উৎসাহিত করছে। দুদকের ওয়েবসাইটের তথ্যমতে, বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২৫,১২৯টি ‘সততা সংঘ’ এবং ৮২৪টি ‘সততা স্টোর’ রয়েছে।

বাংলাদেশ এথিক্স ফাউন্ডেশনের দ্বিতীয় উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম হলো ‘পরিদর্শক বিহীন পরীক্ষা’। নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিবেন কিন্তু কোন পরিদর্শক থাকবে না। পরীক্ষার আগে শিক্ষকরা খাতা ও প্রশ্নপত্র রেখে দিবেন। পরীক্ষা শুরুর আগে ঘন্টা পড়লে শিক্ষার্থীরা সুশৃঙ্খল ও সারিবদ্ধভাবে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে নির্ধারিত আসনে বসবেন। যথাসময়ে ঘন্টা পড়লে শিক্ষার্থীরা লেখা শুরু করবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০মিনিট পরে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের একজন শিক্ষক আসবেন এবং প্রশ্নপত্রে কোন ভুল থাকলে তা সংশোধন করে দিবেন। পরীক্ষা শেষের ১৫ মিনিট পূর্বে সতর্ক ঘন্টা দেয়া হয়। চূড়ান্ত ঘন্টা পড়লে শিক্ষার্থীরা লেখা বন্ধ করে নিজ আসনে বসে থাকবে। সংশ্লিষ্ট কক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক উত্তরপত্র বুঝে নেয়ার পর শিক্ষার্থীরা আবার সারিবদ্ধ ও সুশৃঙ্খলভাবে পরীক্ষার হলের বাইরে চলে যাবেন। বাংলাদেশ এথিক্স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কার্ডিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে এই পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

২০১৫ সালে পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলার তৎকালীন নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শামছুল আলম প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত ও নৈতিক শিক্ষা বাস্তবায়নে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১৬ সালে জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। যতদিন তিনি ভাঙ্গুড়ায় ছিলেন নৈতিক ভাঙ্গুড়া গড়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। গড়ে তুলেছিলেন এথিক্যাল ফাউন্ডেশন। এই সংস্থার কার্যক্রম সক্রিয় রাখতে পারলে সমাজে নীতি নৈতিকতা বিষয়ে সচেনতা বাড়বে।  রাজশাহী কলেজের দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থীরা, “এই হোক তোমাদের অঙ্গীকার, প্রতিদিন একটি করে নৈতিক কাজ করার” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেছেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এথিকস ক্লাব’।

২০১৪ সালে বুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও শিল্প উদ্যোক্তা মোমতাজ উদ্দিন ভূঁইয়া স্কুল কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠন ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তাঁর রচিত ‘আদর্শ মানুষ হতে চাই’ নামে একটি বই প্রকাশ করেছেন। মোমতাজ উদ্দিন ভূঁইয়া বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে স্কুল কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বইটি পৌঁছে দিচ্ছেন। বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ভাব-বাংলাদেশ সংস্থার প্রকল্পভূক্ত ৮০টি বিদ্যালয়ের ২০১৪ সাল থেকে স্বেচ্ছাসেবক ক্লাব গঠন করেছে এবং প্রায় ৩ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে ‘আদর্শ মানুষ হতে চাই’ বইটি বিতরণ করেছে। মোমতাজ উদ্দিন ভূঁইয়া বইটিতে ছাত্র-ছাত্রীদের চরিত্র গঠনে নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে নিয়মিত পড়াশোনা, সুঅভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি আদর্শ মানুষ হবার প্রত্যয়ে ৫০টি আদর্শ গুণাবলির কথা তুলে ধরেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দায়িত্ববোধ ও কর্তব্য পালন, বিশ্বস্ততা, সততা ও মিথ্যা কথা না বলা, ধৈর্য্যশীলতা, সময়ানুবর্তিতা, বিনয়ী ও ভদ্র হওয়া, কৃতজ্ঞতাবোধ প্রভৃতি।

বিখ্যাত সাইকোলজিস্ট অ্যাডাম গ্রান্ট যিনি ১০ বছরের বেশি সময় ধরে গবেষণা করেছেন কীভাবে শিশুদের মধ্যে নৈতিকতা বৃদ্ধি করা যায়। তিনি শিশুদের নৈতিকতা বৃদ্ধির জন্য অভিভাবকদের ৩টি পরামর্শ দিয়েছেন। 

প্রশংসা এবং পুরস্কার: শিশুর বয়স ২ বছরের পর থেকে ভাল মন্দ বুঝতে শেখে। কোনটা সঠিক আর কোনটা ভুল এটা বুঝতে শেখে। আপনি যদি আপনার শিশুর মধ্যে অপরের জন্য সমবেদনা বা সহানুভূতি তৈরি করতে চান তাহলে তার কাজের প্রশংসা করুন। সে একটি ভাল কাজের জন্য প্রশংসা পেলে পরবর্তিতে আরও ভাল কাজ করতে অনুপ্রাণিত হবে।

ভাষা প্রয়োগে কৌশলী হওয়া: শিশুর নৈতিক আচরণ বৃদ্ধি করতে তার প্রশংসা করার সময় ভাষা প্রয়োগে আপনাকে কৌশলী হতে হবে। ধরুন আপনার শিশু তার খেলনা কারও সাথে শেয়ার করলো, নিজের চকলেট থেকে ছোট ভাই-বোনকে দিল। তখন তাকে আপনি হয়তো বলতে পারেন, ‘বাহ তুমি তোমার খেলনাটি শেয়ার করে খুব ভাল একটা কাজ করেছো। কিন্তু গবেষণা বলছে আপনি যদি বলেন, ‘বাহ, তুমিতো খুব শেয়ারিং’ তাহলে পরবর্তীতে শিশু আবারও কোন জিনিস শেয়ার করতে আগের চেয়ে উৎসাহ পাবে বেশি। এখানে আপনি যেটা করছেন তা হলো আপনি তার ভাল কাজের প্রশংসা না করে ভাল চরিত্রের প্রশংসা করলেন। ‘প্রতারণা করো না’ না বলে তাকে বলুন ‘প্রতারক হয়ো না’। ঠিক একইভাবে আপনি শিশুকে আপনার কোন কাজে সাহায্য করতে বলতে চান, তাহলে ‘তুমি কি আমাকে সাহায্য করবে? এটি না বলে বলুন, ‘তুমি কি সাহায্যকারী হতে পারবে একটু?’ এখানে যে বিষয়টি হচ্ছে তা হল শিশু যখন তার চরিত্রের সাথে ভাল গুণগুলো যোগ হতে দেখে তখন সে আরও বেশি উৎসাহিত হয় ভাল কাজটি আবার করতে। 

লজ্জা এবং অপরাধ: অ্যাডাম গ্রান্ট তাঁর গবেষাণায় দেখেছেন, শিশুরা যখন কোনও একটা ক্ষতি করে (যেমন-কিছু একটা ভেঙ্গে ফেলে) বা খারাপ কাজ করে (মিথ্যা বলা) তখন তার মধ্যে যেকোন একটা অনুভূতি কাজ করে-লজ্জা বা দোষ। লজ্জা হচ্ছে এমন একটা অনুভূতি যেখানে শিশু মনে করে আমি একটা খারাপ মানুষ। আর দোষ এমন একটা অনুভূতি যেখানে শিশু মনে করে আমি একটা ভুল বা খারাপ কাজ করেছি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব অভিভাবকরা সাধারণত শিশুর কোন একটা ভুল বা খারাপ কাজের রাগ দেখায়, ভালবাসা কমিয়ে দেয় অথবা শিশুকে শাস্তি দেয় সেসব ক্ষেত্রে শিশুর মধ্যে লজ্জার অনুভূতি আরও প্রকট হয়। এই উপায়ে শিশুর আচরণ ঠিক করা অনেক বড় ভুল ধারণা। তাই শিশুর কোন একটা খারাপ কাজ করার পর তাকে বলুন, আমি খুব হতাশ হয়েছি তোমার এই কাজে। তোমার কাছ থেকে এই ধরণের কাজ আমি আশা করি না। আমি জানি তুমি এমন না। এবার একটা ভুল করে ফেলেছো, সামনে আর হয়তো এমনটা হবে না।  দয়া করে কখনোই বলবেন না, তুমি একটা গাধা বা বোকা। কতবার বলেছি এটা না করতে, তাও বার বার করো। তোমাকে দিয়ে কিছুই হবে না .. ইত্যাদি ইত্যাদি। ৫-৬ বছর বয়সের মধ্যেই শিশুর লজ্জার অনুভূতি তৈরি হয় তাই অন্যের সামনে তাকে ছোট করে কোন কথা বলবেন না।

বিশ্বের সেরা শিক্ষা ব্যবস্থার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হল ফিনল্যান্ড, সুইডেন, সিঙ্গাপুর ও জাপান। জাপানে শিক্ষার শুরুতে শিশুদের ৩বছর নৈতিকতার শিক্ষা দেয়া হয়ে থাকে। জাপানিরা বিশ্বাস করে মেধা যাচাইয়ের উপযুক্ত সময় এটি নয়। প্রথম ৩ বছর শিশুদের খেলাধূলা ও আনন্দের মাধ্যমে শেখানো হয় কিভাবে ছোট ও বড়দের সাথে ব্যবহার করতে হয়, দায়িত্ববোধ ও কর্তব্য পালন, বিশ্বস্ততা, সততা ও মিথ্যা কথা না বলা, ধৈর্য্যশীলতা, সময়ানুবর্তিতা, বিনয়ী ও ভদ্র হওয়া, কৃতজ্ঞতাবোধ প্রভৃতি।

শেষ করবো জাপানের একটি ভাস্কর্যের মর্মকথা দিয়ে। জাপানের রাজধানী টোকিওর উত্তরপূর্বে পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত নিক্কো পর্যটন কেন্দ্র। নিক্কো তোশোগু শ্রাইনের তিন বিজ্ঞ বানরের একটি ভাস্কর্য আছে। ৩টি বানরের একটি নিজের চোখের উপর হাত রেখে বলছে, ‘মন্দ জিনিস দেখব না’, দ্বিতীয়টি মুখের উপর হাত রেখে বলছে, ‘মন্দ কথা বলবো না’ এবং তৃতীয় বানরটি কানের উপর হাত রেখে বলছে, ‘মন্দ কথা শুনবো না’। পরিবার এবং স্কুল জীবনের প্রথম থেকেই শুরু হোক নৈতিক ও মূল্যবোধের শিক্ষা অর্জন। শিক্ষার লক্ষ্য হোক সত্যিকারের মানুষ হওয়া।

লেখক: এম. এ. আলিম খান, বেসরকারি সংস্থা ভাব-বাংলাদেশ শিক্ষা প্রোগ্রামের সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার ও কপোতাক্ষ নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি।

এম. এ. আলিম খান /


মন্তব্য করুন

একজন মুক্তিযোদ্ধার খোলা চিঠি: স্বাধীন মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ

দেশের জন্য কখন কী প্রয়োজন, ভালোভাবে জানি: প্রধানমন্ত্রী

গাজীপুরে ফ্যান ফ্যাক্টরিতে আগুন : ১০ জনের মৃত্যু

বাংলাদেশের স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায়ের রচনা শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব হয়েছে -গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

কান ধরে ওঠবোসে স্মৃতিশক্তি বাড়ে

কেশবপুরের হেলথ কেয়ার হসপিটালের ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

দালালদের মাধ্যমে বাংলাদেশে কিছু অনুপ্রবেশ ঘটছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাতে ভোট ম্যানেজকারীদের বেতন বাড়ছে, মিলছে বাড়ি-গাড়ি: সরোয়ার

বৃদ্ধ মহসিনের সর্বস্ব কেড়ে নিয়েছে সন্তানরা

দেশের রক্ত চুষছে দুর্নীতিবাজরা: হাইকোর্ট

স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা প্রকাশ

প্রধানমন্ত্রীর পাশে রাজাকার আছে, নাম বললে দেশে ফেরা বন্ধ হয়ে যাবে : গাফফার চৌধুরী

কালীগঞ্জে সুপারি গাছ থেকে পড়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সিয়াম!

কারাগার থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এহসান হাবিব সুমন এর খোলা চিঠি

যেকোন সময় ঘোষণা হতে পারে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি

এসএসসি পরীক্ষাঃ বাংলা দ্বিতীয় পত্রে বেশি নম্বর সহজেই...

৫০ বছর ধরে দল করেও সুবিধা বঞ্চিত আ'লীগের প্রচার সম্পাদক নূরুল হক

যশোরের রাজগঞ্জে ৫৬ যুবকের উদ্যোগে ভাসমান সেতু র্নিমাণ

কেশবপুরের শাহীনের সেই ভ্যানটি উদ্ধার, আটক তিনজন

নোংরা রাজনীতির শিকার যশোরের এমপি স্বপনের ছেলে শুভ

লালমনিরহাটে এক বিধবা মা বাইসাইকেল চালিয়ে ৪২ বছর স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন

নারী সহকারীর সঙ্গে ডিসির অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল, সংবাদ না করার অনুরোধ

আমি চাই আমাকে দেখে আর দশটা মেয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক - শ্রাবন্তী অনন্যা

বিএনপি নেতা আবু বকর আবু’র জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল

আপনার কাছে জনপ্রিয় খেলা কোনটা ?

  ক্রিকেট

  ফুটবল

  ভলিবল

  কাবাডি

অফিস ঠিকানা  

আর এল পোল্ট্রি, উপজেলা রোড, কেশবপুর বাজার, যশোর।
মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

প্রকাশক ও সম্পাদক 

মোঃ মাহাবুবুর রহমান (মাহাবুর)

মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা