আজ শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬           আমাদের কথা    যোগাযোগ
Owner

শিরোনাম

  জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল কপোতাক্ষ নিউজের জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী প্রার্থীরা ০১৭১৯২৮০৮২৭ নাম্বারে যোগাযোগ করুন।  

কারাগার থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এহসান হাবিব সুমন এর খোলা চিঠি


কারাগার থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এহসান হাবিব সুমন এর খোলা চিঠি

প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০১৯   পঠিতঃ 4614057


শরীফুল বাবু, কপোতাক্ষ ডেস্কঃ পুলিশ জনগণের বন্ধু? নাকি  স্বামী হারানো বিধবা মায়ের স্বপ্ন ভাঙ্গার কারিগর? অনেক কষ্ট আর বাঁধা পেরিয়ে ছেলেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াচ্ছিলেন নড়াইল, কালিয়া উপজেলার নওয়া গ্রামের বিধবা রাবেয়া বেগম, স্বামী হারিয়ে এক ছেলে আর  প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে ছিলেন সুমনের মা। বিধবা মায়ের কান্না দেখার কেউ নাই, বিধবা রাবেয়া বেগম এর  মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আকুল আবেদন, আমার পিতা হারানো নির্দোষ ছেলেকে মুক্তি দেন।  জেলখানা থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১তম ব্যাচের এহসান হাবিব সুমনের "খোলা চিঠি" যেমন ছিলো।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এহসান হাবিব সুমন এর চিঠি কপোতাক্ষ নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

গত ১৯-০২-২০১৯ তারিখে অামি সন্ধ্যাবেলায় (অানুমানিক ৭:৩০-৮:৩০ এর মধ্যে) ক্যাম্পাসের সামনে থেকে গ্রেফতার হই। সেদিনের ঘটনাটা একটু বর্ণনা করতে চাই। অামার একটি বাইক অাছে। অামার বাসার নিচে কোনো গ্যারেজ না থাকার কারণে বিগত ৪ মাস ধরে অামি অামার বাইক ক্যাম্পাসের বিবিএ ভবনের অান্ডারগ্রাউন্ডে রেখে অাসছি। গত ১৯ তারিখেও রাতে (৭:৩০-৮:৩০ এর দিকে) অামি বাইক রাখতে ক্যাম্পাসে গিয়েছি। অামি ভার্সিটি গেট দিয়ে ঢুকে বাইক নিয়ে সোজা অান্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাই। ২-৩ মিনিটের মধ্যে বাইকটা রেখে লক করে হেলমেটটা হাতে নিয়ে বাইরে চলে অাসি। অান্ডারগ্রাউন্ডের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ তার প্রমাণ। অান্ডারগ্রাউন্ড থেকে বের হয়ে গেটে অাসতেই দেখি অামার ডিপার্টমেন্টের ফ্রেন্ড এবং সেই সাথে অামার রুমমেট জিএম শোভন শিশির ক্যাম্পাসের গেটে একটি বেঞ্চে বসা। ও অামার রুমমেট হওয়ায় অামি ওর কাছে গিয়ে বললাম, "বন্ধু বাসায় যাবি না?" ও বললো,হ্যাঁ,চল একটা চা খেয়ে যাই। ভার্সিটি গেটের সিসিটিভি ফুটেজ দেখলে এটারও প্রমাণ মিলবে।

এর মধ্যে খুব সম্ভবত অামাদের সহকারি প্রক্টর স্যার ক্যাম্পাস থেকে বের হচ্ছিলেন। উনি অামাদের জিজ্ঞাসা করলেন অাপনার কারা?

এখানে কি করছেন?

উনার কথার জবাব দেবার অাগেই ২০-৩০ জন পুলিশ হঠাৎ করে গেটের সামনে চলে অাসে।

অবশ্য কয়েকজন পুলিশ অাগে থেকেই ছিল, সবসময়ই থাকে।

এমন সময় পুলিশের এক কর্মকর্তা অামাদের জিজ্ঞাসা করেন অামরা এখানে কি করছি?

অামি জবাব দেবার অাগেই উনি অামাদের ধরে নেবার অাদেশ দেন।

মাত্র ২-৩ মিনিটেই সবকিছু ছুরির মত কেটে গেল, কিছুই বুঝতে পারলাম না কি হচ্ছে। কেন তুলে নিচ্ছেন জিজ্ঞাসা করলে কোনো জবাবও পেলাম না। থানায় নিয়ে হাজতে ঢোকানোর পর জানতে পারলাম গত ১৮ তারিখের মারামারিকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের কমিটি বাতিল করে দিয়েছে। অাবার কেউ কেউ বলতে লাগলো অামরা বিজয় মিছিল করেছি, পোস্টার ছিঁড়েছি কমিটি বাতিল হবার পর, তাই অামাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

এই সমস্ত ঘটনা শুনে অামি অবাক হলাম, যেহেতু অামি জীবনে কখনো পলিটিক্সও করিনি তাই কখনো পলিটিকাল খোঁজখবর নিয়ে মাথাও ঘামাইনি। অামি চিল্লাই চিল্লাই সবাইকে বলতে লাগলাম, ভাই অামি তো এসবের কিছুই জানিনা। অামি তো কোনোদিন পলিটিক্সও করিনি, অাপনারা ভুল করে অামাকে ধরেছেন,অামাকে ছেড়ে দিন।

পুলিশ অাশ্বাস দিল অাপনি নির্দোষ হলে অাপনাকে ছেড়ে দেওয়া হবে, কোনো অসুবিধা নেই।

রাতে ওসি মওদুদ ভাইয়ের রুমে ডেকে নিয়ে উনি নাম, ঠিকানা সবকিছু জিজ্ঞাসা করলেন। অামি বললাম।

উনি জিজ্ঞাসা করলেন ক্যাম্পাসে কেন এসেছিলাম?

অামি হেসে হেসেই জবাব দিলাম, বললাম বাইক রাখতে এসেছিলাম, খুবই সুন্দর ব্যবহার করলেন অামার সাথে। অামি কথা শেষ করে বললাম, ভাই অাজ কি অামার এখানে থাকা লাগবে?

উনি বললেন, বলা যাচ্ছে না। তোমাদের ভেরিফাই করা হবে। তারপর একটু সময় তো লাগবেই।

অামি যেহেতু নির্দোষ ছিলাম সেহেতু ভেরিফাই এর কথা শুনে সাহস পেলাম, কারণ অাবারও বলছি অামার কোনোদিনও কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছিল না। অার এসব ঘটনার কিছুই অামি জানি না। জড়িত থাকার তো কোনো প্রশ্নই অাসে না।
রাত পেরিয়ে সকাল হলো,রাতে অবশ্য অারো ২ জনকে বাসা থেকে ধরে অানা হলো।

ও হ্যাঁ, একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছি, ক্যাম্পাসের গেট থেকে অামি-সহ মোট ৫ জন গ্রেফতার হয়েছিলাম। রাতে অারো ২ জন অাসলো। মোট ৭ জন। ভার্সিটি গেট থেকে ধরে অানা ৫ জনের মধ্যে ২ জন বাদে বাকি ৩ জন এবং রাতে ধরে অানা ২ জনকে কেস দিয়ে কোর্টে চালান দেওয়া হলো দুপুর ১ টার দিকে।

এর অাগে অবশ্য ১১ টার দিকে ওসি মওদুদ (তদন্ত) অামাদের প্রথম ৫ জনের মধ্য থেকে যে ২ জনের নামে মামলা দেওয়া হয়নি তাদের বাদ দিয়ে অামি-সহ বাকি ৩ জনকে ডেকে নিল। উনার মোবাইলে ছবি তুললো। বললো ভেরিফাই করার জন্য ছবি তোলা হচ্ছে, কিছুক্ষণের মধ্যে ছাড়া পাব।

এই অাশাটা অারো তীব্র হতে লাগলো। বললাম, ভাই একটু তাড়াতাড়ি করেন। কাল রাত থেকে এখানে অাটকে রাখা হয়েছে অথচ অামি তো কিছুই জানিনা। ঐ সময় একটা ব্যাপার বুঝতে পারলাম,একজন দোষী সবসময় বলে সে নির্দোষ কিন্তু একজন নির্দোষের কিছুই বলার থাকেনা।

যাই হোক, ১ টার দিকে যখন একজন পুলিশ এসে অামি-সহ অারো ৫ জনের নাম ধরে ডেকে বললো যে অাপনাদের নামে মামলা দেওয়া হয়েছে, অাপনাদের কোর্টে চালান দেওয়া হবে এক্ষুণি...

শুনেই মাথায় অাকাশ ভেঙে পড়লো। অামার কাছে মনে হলো এটা অসম্ভব,এটা হতেই পারে না। অামি তো নির্দোষ, কিছুই জানিনা, ক্যাম্পাসে এসেছিলাম বাইক রাখতে। সেখান থেকে অামাকে ধরে অানা হয়েছে। অামার নামে মামলা কেন দেবে? তাছাড়া পুলিশ তাহলে কি ভেরিফিকেশন করলো?

যতদূর জানি অামাদের প্রক্টর স্যারকে তো জানানোর কথা মামলা দেবার অাগে,উনি তো একজন নিরপরাধ স্টুডেন্টের লাইফ ধ্বংস করে দিতে পারেন না। অামি চিল্লাই চিল্লাই কথাগুলো বলতে থাকলাম।

এর মধ্যে খবর পেয়ে অামাদের দুজন বন্ধু রাজন অার অালামিন অাসলো। অামাদের তখন হাজত থেকে বের করার প্রিপারেশন নিচ্ছে। অামি রাজনকে বললাম প্রক্টর স্যারকে ফোন দিতে। স্যার ফোন ধরলেন না।

অালামিন অবশ্য তার কিছুক্ষণ অাগেও একবার এসেছিল। ওকে ডিপার্টমেন্ট এবং প্রক্টর স্যারকে জানানোর জন্য বলেছিলাম।
অালামিনই সম্ভবত রাজনকে নিয়ে প্রক্টর স্যারের কাছে গিয়েছিল কিন্তু ওখানে কি কথা হয়েছে তাও জানতে পারিনি।

এদিকে রাজন প্রক্টর স্যারকে ফোন দিচ্ছে অার অন্যদিকে অামি চিল্লাচ্ছি এই বলে যে অামি তো কিছু করিনি, অামাকে কেন মামলা দিবে? পুরো পৃথিবী মাথার উপর ভেঙে পড়তে লাগলো। অামার সেই মুহূর্তে শুধু অাম্মুর কথা মনে পড়তো লাগলো।

অামি পুরোটাই বোবা হয়ে গেলাম। অামাদের ৫ জনকে হাতকড়া পরানো হলো। জীবনের সব স্বপ্ন মনে হলো এক মুহূর্তেই কেউ ভীষণ জোরে অাছাড় মেরে ভেঙে দিল। গাড়িতে উঠিয়ে ভার্সিটির সামনে দিয়ে সাইরেন বাজিয়ে অামাদের কোর্টে নিয়ে যাচ্ছে এমন সময় শিশির পুলিশের কাছে মামলার কাগজ দেখতে চাইলো, অামিও দেখলাম।

দেখে অামি এতটাই অবাক হলাম যেন বোবা থাকা অবস্থায় অারো বোবা হয়ে গেলাম।

মামলায় লেখা ১৮ ফেব্রুয়ারি মারামারিকে কেন্দ্র করে মামলা দিয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি অামি গিয়েছিলাম মিরপুর BRTA তে, অামার বাইকের রেজিস্ট্রেশন নাম্বার অানতে। অামার পকেট লাইসেন্সেটা তখনও ছিল। এমনকি ঐদিন শামীম অাহম্মেদ সুমন ভাইকে অামি ঢাবির TSC থেকে নিয়ে গিয়েছিলাম মিরপুরে। ভাই অামার সাথে সন্ধ্যা পর্যন্ত BRTA তে ছিলেন। অামি ঐদিন বাইকের রেজিস্ট্রেশন পেপার ও নাম্বার পাবার পরপরই গ্লোবাল ইন্সুরেন্স থেকে বাইকের ইন্সুরেন্স করাই। এই সমস্ত পেপার তখনও অামার পকেটে ছিল এবং দুইটি পেপারেই ১৮ তারিখের কথা উল্লেখ অাছে।

যাই হোক, বাকি ঘটনা অার বলতে চাই না। অবাক হতে হতে অার কাঁদতে কাঁদতে অামি ক্লান্ত। একজন নিরপরাধ এবং নিরীহ মানুষ হয়েও অামি জেলে বসে অাছি। জেলখানায় এসে মায়ের কথা সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে। প্রথম ২ দিন মা মা করে অনেক কেঁদেছি। এখন একটু শক্ত হয়েছি। অামি জানি অামার মা এখনো কাঁদছে।

এখন রাত ৩ টা ১৫ বাজে, অামার মা ঘুমোতে পারেনি, মায়ের সাথে সন্তানের টেলিপ্যাথির জোরটা অনেক বেশি। বাবা মারা যাবার পর থেকে এই মানুষটা অনেক কষ্ট করছে অামার জন্য। অমানবিক কষ্ট করে যাচ্ছে বিগত ৫ টা বছর।

একটু সুখে থাকার অাশায় অামার চোখের দিকে তাঁকিয়ে অাছে সারাক্ষণ। অামি জানি তাঁর সব স্বপ্ন এখন ধুলিস্যাৎ হয়ে গিয়েছে। অামার এখানে ফিজিক্যাল কোনো কষ্ট নেই, এটা অামার মাকে জানানো খুবই দরকার। মা, তুমি প্লিজ কান্নাকাটি করো না। অামি ভালো অাছি মা।

শুধু একটাই অাফসোস মা, তোমাকে কোনোদিনও সুখ এনে দিতে পারলাম না। তোমার কষ্টটাকে মুছে দিতে পারলাম না। অামাকে ক্ষমা করে দিও মা। অনেক ভালোবাসি মা তোমায়।

এখানে এসে একটা কথা বুঝেছি। জেলের ভেতরে মানুষ জেল খাঁটেনা, জেল খাঁটে বাইরের মানুষ। ২০১৪ সালে বাবা মারা যাবার পর থেকে এই পর্যন্ত অমানবিক খাটুনি করে অার কষ্ট করে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে অাসছি। চালিয়ে অাসছি অামার পরিবারটাকেও। জীবনে কখনো কোনো রাজনৈতিকদল বা সংগঠনের সাথে জড়িত হইনি। অথচ অাজ অামি সেই রাজনৈতিক কারণেই জেলে।

নিজের অাপন ছোট বোনটা মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় জীবনে ছোট বোনের ভালোবাসটা তার কাছ থেকে পাইনি। পেয়েছি অামার চাচাতো বোনের কাছ থেকে। গত পরশু (শুক্রবার) তার বিয়ে হয়েছে। দাঁড়িয়ে থেকে ছোটবোনটার বিদায় পর্যন্ত দেখা হলো না।

ছোটবেলায় কাজী মারুফ অভিনীত "ইতিহাস" ছবিটি দেখেছিলাম। জেলে এসে প্রতিটা মুহূর্ত ছবিটার কথা মনে পড়ে। একজন নির্দোষ মানুষের জীবনে এরকম একটা ঝড় অাসতে পারে এটা এখনও পর্যন্ত বিশ্বাস করতে পারছি না। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে মানুষের জীবন কতখানি বদলে যেতে পারে তার বড় স্বাক্ষী এখন অামি নিজেই। ক্যাম্পাসে শুধু বাইকটা রাখতে গেলাম, বের হলাম অার তারপর সবকিছু শেষ হয়ে গেলো। অামি চিন্তা করেছি এখান থেকে বের হয়ে বাড়ি ফিরে যাব মায়ের কাছে।

অার তারপর অাম্মু,অামি অার অামার প্রতিবন্ধী ছোট বোন এই ৩ জন মিলে সুইসাইড করবো। অনেক স্বপ্ন দেখেছিলাম, মাকে অনেক স্বপ্ন দেখিয়েছিলাম। তার কোনোটাই এখন অার অবশিষ্ট নাই। স্বপ্ন না থাকলে, অাশা না থাকলে ভাবলেশহীন জীবন কাটায়। অার স্বপ্ন ভেঙে গেলে মানুষ সুইসাইড করে, মৃত্যু কামনা করে।

এটা যে অামার সুইসাইড নোট এমন কিছুও না। হয়তো বেঁচেই থাকবো। অাত্মহত্যা করার মত অতটা সাহসও হয়তো অামার হবে না।

অামার এই কথাগুলো সংশ্লিষ্ট মহলে পৌছাবে কিনা জানিনা। কেউ কোনোদিন জানবে কিনা তাও জানিনা, তবুও বলে যেতে চাই।

বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মানিত প্রক্টর স্যার, মাননীয় ভিসি স্যার অামাদের অভিভাবক। অামরা তাদের সন্তান। অাপনাদের এমন এক সন্তান অাজ জেলে অাটকা অাছে যে কিনা কিছু জানতো পর্যন্ত না। অাপনাদের এমন এক নিরপরাধ সন্তান জেলে অাছে যে কিনা কোনোদিন রাজনীতিটাও করেনি। সংসার অার নিজের জীবনের ঘানি টানতে টানতে সময় পার করেছি। হ্যাঁ, মানছি অাপনার কিছু সন্তান অপরাধ করেছে, কিন্তু তার জন্য একটা নিরপরাধ নিরীহ মানুষ ফেঁসে গেল। যার অপরাধ শুধু একটাই ক্যাম্পাসে বাইক রাখতে এসেছিল।

অাসল অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে অথচ পরিস্থিতি শান্ত করার নামে এমন একটা মানুষের বলিদান দিলেন যার কিনা দুইকূলে কেউ নেই। অাপনাদের কাছে একটা অনুরোধ রইলো স্যার, ভবিষ্যতে অাপনার কোনো নিরপরাধ সন্তানের জীবনটা যেন এভাবে নষ্ট না হয়ে যায়।

মামলা দেবার অাগে একটাবার হলেও একটু দেখে নিবেন বৃহত্তর স্বার্থে কোনো নিরীহ ছাত্র যেন কখনো বলির পাঠা না হয়ে যায়।
------------------------------------------------
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানিগঞ্জ) থেকে
এহসান হাবিব সুমন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ১১তম ব্যাচ,
ফিন্যান্স বিভাগ।
গ্রামঃ নওয়াগ্রাম, থানাঃ কালিয়া, জেলাঃ নড়াইল

আরও পড়ুন>>>> কপোতাক্ষ নিউজে সংবাদ প্রকাশ: এমপি'র হস্তক্ষেপে নিরপরাধ সুমন মুক্তি পেতে যাচ্ছে

শরীফুল বাবু /


মন্তব্য করুন

সাংবাদিক কামরুল সিকদারের মাতার ইন্তেকাল

প্রাথমিক শিক্ষকের ছেলে থেকে মাফিয়া ডন

গ্রামবাসীর সাঁকো দেখিয়ে টাকা মারলেন চেয়ারম্যান

আওয়ামী লীগের দুর্নীতির কল বাতাসে নড়ছে : মিজা ফখরুল

আওয়ামী লীগ নেতারাও নজরদারিতে: ওবায়দুল কাদের

বিএনপিই ঢাকাকে ক্যাসিনোর শহরে পরিণত করেছে: ওবায়দুল কাদের

আইনে নিষিদ্ধ তবুও লাইসেন্স পাচ্ছে মদ জুয়া

বিপুল টাকাসহ যুবলীগ নেতা জি কে শামীম আটক

ঠাকুরগাঁওয়ে বাংলাদেশি "যুবককে" ধরে নিয়ে হত্যা করেছেন বিএসএফ

সৌদি আরবে বাংলাদেশীকে গলা কেটে হত্যা করেছে অপর দুই বাংলাদেশী রুমমেট

ঢাবির 'ক' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

চট্রগ্রামে আজ মুখোমুখি জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তান

কালীগঞ্জে সুপারি গাছ থেকে পড়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সিয়াম!

কারাগার থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এহসান হাবিব সুমন এর খোলা চিঠি

যেকোন সময় ঘোষণা হতে পারে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি

৫০ বছর ধরে দল করেও সুবিধা বঞ্চিত আ'লীগের প্রচার সম্পাদক নূরুল হক

যশোরের রাজগঞ্জে ৫৬ যুবকের উদ্যোগে ভাসমান সেতু র্নিমাণ

কেশবপুরের শাহীনের সেই ভ্যানটি উদ্ধার, আটক তিনজন

এসএসসি পরীক্ষাঃ বাংলা দ্বিতীয় পত্রে বেশি নম্বর সহজেই...

নোংরা রাজনীতির শিকার যশোরের এমপি স্বপনের ছেলে শুভ

লালমনিরহাটে এক বিধবা মা বাইসাইকেল চালিয়ে ৪২ বছর স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন

নারী সহকারীর সঙ্গে ডিসির অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল, সংবাদ না করার অনুরোধ

আমি চাই আমাকে দেখে আর দশটা মেয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক - শ্রাবন্তী অনন্যা

বিএনপি নেতা আবু বকর আবু’র জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল

আপনার কাছে জনপ্রিয় খেলা কোনটা ?

  ক্রিকেট

  ফুটবল

  ভলিবল

  কাবাডি

অফিস ঠিকানা  

আর এল পোল্ট্রি, উপজেলা রোড, কেশবপুর বাজার, যশোর।
মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

প্রকাশক ও সম্পাদক 

মোঃ মাহাবুবুর রহমান (মাহাবুর)

মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা