আজ মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬           আমাদের কথা    যোগাযোগ
Owner

শিরোনাম

  জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল কপোতাক্ষ নিউজের জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী প্রার্থীরা ০১৭১৯২৮০৮২৭ নাম্বারে যোগাযোগ করুন।  

বিবাহিত জীবনে পুরুষ নির্যাতন দেখার কেউ নাই


বিবাহিত জীবনে পুরুষ নির্যাতন দেখার কেউ নাই

প্রকাশিতঃ সোমবার, জুন ১৭, ২০১৯   পঠিতঃ 112455


মোঃ শাহ্ জালাল, ঢাকা থেকেঃ আজকাল সমাজে বিবাহিত জীবনে যে শুধু নারীই নির্যাতিত হয় তা ঠিক নয়। পুরুষেরাও নির্যাতিত হচ্ছে। আমি ২০১৫ সালের ০৯ আগস্ট থেকে ২০১৭ সালের ০৩ মার্চ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে শতভাগ নিশ্চিত হয়েই কথাটা বলছি। এখন প্রশ্ন আসতে পারে কিভাবে? তাহলে বলি অধিকাংশ মেয়ে বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির লোকদের দেখতে পারেনা। তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করতে চান না আর করলেও দায় সারা ভাব থাকে। কিন্তু এই দুষ্ট মেয়েগুলোর যখন বিয়ের কথা বার্তা শুরু হয় তখন তার হবু স্বামীর সাথে ফোন আলাপ থাকে আমি অন্য আর দশটা মেয়ের মতো না। আমি মনে করি শ্বশুর-শাশুড়ি হচ্ছে নিজের মাঝে। কারণ আমিতো আমার বাবা ছেড়ে তোমার সংসারের আসছি। ননদ দেবর হলো ভাই-বোন ইত্যাদি ইত্যাদি কতো বয়ান যে সারারাত ফোন আলাপে চলতে থাকে তা বলে শেষ হবেনা।

কিন্তু বিয়ের পরে বাসর রাতে বদলে যায় নব বধূর রূপ। সে রাতে নব বধূ ভাবতে থাকে শ্বশুর-শাশুড়ির পিছনে টাকা খরচ করা মানে নিশ্চিত অপচয়। ফলে বাধ্য হয়েই স্বামীরা গোপনে বাড়িতে টাকা পাঠায় বাবা-মাকে। সেটা যদি কোনভাবে বউ জানে শুরু হয় অশান্তি। রান্না বন্ধ করে স্বামীকে টাইট করা, মাথা ব্যথার ভান ধরে থাকা। তাতেও যদি স্বামীকে নিজের আয়ত্বের মধ্যে না আনতে পারে তখন শুরু হয় নতুন ছলচাতুরী।

আমি এখানে থাকবোনা মায়ের কাছে যাব, আরো ভাল করে পড়তে হবে। এখানে পড়াশোনা ঠিকঠাক হচ্ছে না। আমাকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে, বিসিএস পরীক্ষা দেব ইত্যাদি আরো কথা বাহানা। এবার যদি স্বামীকে তার এই ছলচাতুরীতেও ধরতে না পরে। তখন শুরু হয় ইন্ডিয়ান সিরিয়াল। বাড়িতে আত্মীয় স্বজনদের বলে আমি না খেয়ে মরলাম, ভালো বাজার করেনা। আমাকে বকাঝকা করে দেখতে পারেনা। ওর বিয়ের আগে যে মেয়ের সাথে সম্পর্ক ছিল আমাকে বলেনি। এখন তার সাথে কথা বলে। আর আমাকে  ফোনে কথা বলতে দেয়না তোমাদের সাথে। আমি চুরি করে কথা বলছি। মেয়ের মা মেয়ের এইসব ছলনায় ভুলে মেয়ের বাবাকে বলে।বোকা রগচটা বাবা মেয়ের ছলনা বিশ্বাস করে একপর্যায়ে সিন্ধান্তে চলে আসে মেয়েকে আর এমন জামাইয়ের ঘরে না দেওয়ার। এই অশান্তি আগ্নেয়গিরির লাভা হয়ে যায়। ফলে এক পর্যায়ে দুই পক্ষের সম্পর্কে বিপর্যায় ঘটে।এমন কি তালাকও হয়ে যায়। আজ অহরহ এমন ঘটনা সমাজে ইতিমধ্যেই মহামারি আকার নিয়েছে। 

এছাড়াও সমাজে বর্তমান অনেক সন্দেহপ্রবণ মেয়ে আছে। এরা স্বামীর টয়লেটে বেশি সময় লাগলে কান পেতে থাকে, হিসু করার নামে ভেতরে গিয়ে কারো সাথে ফোনে কথা বলছে কিনা মোবাইল ফোন সুযোগ পেলেই ঘাটে, ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ঘাটে। কোন মেয়ের নাম পেলেই সে মনগড়া ভাবে মেয়েটিকে স্বামীর প্রেমিকা বানিয়ে দেয়, বাস্তবে হোক সেটা আশি বছরের বৃদ্ধাশ্রমে থাকা কোন মহিলার নাম। শুরু হয় গোয়েন্দাগিরি, স্বামী বেচারা যতোই তাকে ভালোবাসুক, কেয়ার করুক ভদ্রমহিলা নিজেকে দুনিয়ার সবচাইতে অবহেলিত বউ হিসেবে নিজেকে আবিষ্কার করে। সংসারে জ্বালার শুরু এখান থেকেই...

আবার কেউ আছে তার স্বামীকে নিজের মতকরে পেতে চায়। তারা লুতুপুতু হয়ে স্বামীর কাছে হাস্যকর আবদার তুলে ধরে বলে, "আজ থেকে তোমার সকল ব্যক্তিগত বিষয় আমাকে জানাবা" কথা হলো ব্যক্তিগত বিষয় কিভাবে ব্যক্তি নিজে ছাড়া অন্যে জানে?স্বামী বেচারা বউয়ের আবদার পূরণ করতে গিয়ে হিমশিম খায়। নিজের পছন্দের কাজ বউয়ের অপছন্দ, মতের গুরুত্বহীনতা, পছন্দের অমিল। বউয়ের মন রক্ষা করতে গিয়ে স্বামীর নিজের অস্তিত্ব নিয়ে টানাটানি। শুরু হয় স্বামীর ট্রমা..বিষণ্ণতা। "কি ছিলাম আর কি হয়ে যাচ্ছি?" আল্লাহর দুনিয়ায় ড্রামাবাজ কিছু মেয়ে আছে। এরা নিজের কাজ হাসিলে সেই লেভেলের ড্রামা করতে পারে। যেমন- কোন কারণে ঝগড়া হলেই সে স্বামীকে আত্মহত্যার হুমকি দেয়, কথা বলেনা, আলাদা ঘরে ঘুমায়, খেতে চায়না, রাগ করে বাপেরবাড়ী চলে যায়, বাচ্চাদের সাথে রাগারাগি করে, ওদের মারে। তাদের অযৌক্তিক, আহ্লাদী উদ্দেশ্য হাসিলে নানারকম প্রতিরক্ষামূলক কৌশল বা Defense Mechanism ব্যবহার করে অভিযোজন করে। তবে স্বামীর উপর রাগ করে বাচ্চাকে মারা তীব্র মনোকষ্টের প্রকাশ। এটাকে বলে Displacement.

কিছু নোংরা স্বভাবের মেয়ে আছে । এরা কোনকিছু গুছিয়ে রাখেনা। পুরো বাড়ীর জিনিষপত্র এলোমেলো পড়ে থাকে। দামী দামী ফার্নিচারের প্রতিটার উপরে এক ইঞ্চি করে ধূলার স্তর। বাথরুম, কিচেনসহ পুরো বাড়ী নোংরা হয়ে থাকে। বাচ্চার হিসুর গন্ধে পুরো ঘর "হিসু হিসু ঘন্ধে ভরে থাকে নিজে পরিস্কার করেনা, কাজের লোককে দিয়েও করায়না। স্বামী নিজে মাঝে মাঝে করে বা কাজের লোককে দিয়ে করায়। এই নিয়ে রোজ অশান্তি। তুলনাবাজ কিছু মেয়ে আছে। অমুকে তার বউয়ের জন্য এইটা করে, তমুকের বউ এতো দামের শাড়ি কিনছে, তালতো বোনের খালতো ভাইয়ের ফুপাতো বোনের বর শশুড় বাড়িতে ট্রাক ভরে বাজার পাঠাইছে। তুমি কি করছো আমার জন্য? স্বামীর আয়ের দিকে তার কোন নজর নাই। প্রতি মাসে তার শাড়ী কেনা চাইই চাই। বেচারা স্বামী...বউরে কিছুতেই বুঝাইতে পারেনা। 

অনেক সংসারে স্বাধীনচেতা কিছু মেয়ে আছে। এরা হচ্ছে "তুমি তোমার মত, আমি আমার মত" টাইপ। এদের সাথে স্বামী চাইলেও তার সমস্যা, কষ্ট, আনন্দ প্রাণখুলে শেয়ার করতে পারেনা। কোন বিষয় নিয়ে তার সাথে কথা বলা যায়না। স্বামীর কিছুতেই তার কোন আগ্রহ নেই। তার সব আগ্রহ আত্মকেন্দ্রিক। স্বামীর কোন কিছুইই তাকে টানেনা। সংসারের বিষয়ে উদাসীন। কোন কিছু করতে চায়না। এমন কি রান্নাও না।  অনেক বেলা পর্যন্ত ঘুমায়। সব কিছু কাজের মেয়ের উপর ফেলে রাখে। নিজের মেয়েকেও ঠিকমত খাওয়ায় না। মেয়েটা দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছে। ছেলেমেয়েকে পড়াতেও চায়না। সংসার চলে কাজের মেয়ে দিয়ে। কিন্তু কাজের মেয়েও টিকেনা তার দূর্ব্যবহারের কারণে। বিয়ের আগে বউ বলেছিল দু'জনের আয়ে সংসার চালাবে। বিয়ের পর বউ সব ভুলে গেছে। বউ তার বেতনের টাকা দেয়না। টাকা দিয়ে কি করে, বলেও না। সংসার চালাতে পারেনা, ব্যাংক লোন আছে। এই নিয়ে রাগারাগি হয় প্রায়ই।

এখন আবার ফেসবুক যুগ। বউয়ের দাবী, স্বামীর কোন মেয়ে ভক্ত থাকা যাবেনা। তাদের সাথে চ্যাট করা যাবেনা। কোন মেয়ে তার কিছুতে লাইক বা কমেন্ট করলে তা নিয়ে অশান্তি। তার পাসওয়ার্ড হ্যাক করে সে ওসব ভক্তদের গালি দেয়। অথচ নিজে পরকীয়া করে যাচ্ছে দিনের পর স্বামী বেচারা বড়ই শান্তশিষ্ট। বুক ফাটেতো মুখ ফুটেনা। (সব ছেলে বাঘা তেতুল হয়না) বিষয়টা হল, মেয়েরা কোন কিছু করার জন্য স্বামীকে বলতে বা চাপ দিতে পারে কিংবা মানসিক টর্চার করতে পারে।শুধুমাত্র গায়ে হাত তুলে মারতে পারেনা।  তাই এগুলোকে 'নির্যাতন' বলে ধরা হয়না। আমাদের সমাজ গায়ে কয়টা দাগ পড়েছে তা দিয়ে নির্যাতন হিসাব করে। আর এইখানেই পুরুষেরা বউ পিটিয়ে নির্যাতক হিসেবে ধরা খেয়ে যায়। এই সুযোগে তীব্র মাত্রায় মানসিক নির্যাতক নারীগুলো একটা পুরুষের জীবনকে অশান্তিতে ভরিয়ে দেয়। অথচ মানসিক জ্বালা কিন্তু শরীরের জ্বালার চাইতেও তীব্র। এই দুনিয়ায় যত আত্মহত্যা ঘটে তাতো "মনের জ্বালাতেই ঘটে"। এই তো গত কয়েক মাস হলো পরিচয় এক হাফেজ বড় ভাই বউয়ের মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার মতো মহাপাপের পথ বেছে নিয়ে পরপারে চলে গেলেন বড় অভিমানে। যা সমাজও বিশ্বাস করতেই পারেনি যে, হাফেজ সাহেবের মতো একজন সৎ লোক এটা করতে পারে।

শাহ্‌ জালাল /


মন্তব্য করুন

কালীগঞ্জে সুপারি গাছ থেকে পড়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সিয়াম!

কারাগার থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এহসান হাবিব সুমন এর খোলা চিঠি

যেকোন সময় ঘোষণা হতে পারে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি

এসএসসি পরীক্ষাঃ বাংলা দ্বিতীয় পত্রে বেশি নম্বর সহজেই...

৫০ বছর ধরে দল করেও সুবিধা বঞ্চিত আ'লীগের প্রচার সম্পাদক নূরুল হক

যশোরের রাজগঞ্জে ৫৬ যুবকের উদ্যোগে ভাসমান সেতু র্নিমাণ

কেশবপুরের শাহীনের সেই ভ্যানটি উদ্ধার, আটক তিনজন

নোংরা রাজনীতির শিকার যশোরের এমপি স্বপনের ছেলে শুভ

লালমনিরহাটে এক বিধবা মা বাইসাইকেল চালিয়ে ৪২ বছর স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন

নারী সহকারীর সঙ্গে ডিসির অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল, সংবাদ না করার অনুরোধ

আমি চাই আমাকে দেখে আর দশটা মেয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক - শ্রাবন্তী অনন্যা

বিএনপি নেতা আবু বকর আবু’র জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল

আপনার কাছে জনপ্রিয় খেলা কোনটা ?

  ক্রিকেট

  ফুটবল

  ভলিবল

  কাবাডি

অফিস ঠিকানা  

আর এল পোল্ট্রি, উপজেলা রোড, কেশবপুর বাজার, যশোর।
মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

প্রকাশক ও সম্পাদক 

মোঃ মাহাবুবুর রহমান (মাহাবুর)

মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা