আজ সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬           আমাদের কথা    যোগাযোগ
Owner

শিরোনাম

  জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল কপোতাক্ষ নিউজের জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী প্রার্থীরা ০১৭১৯২৮০৮২৭ নাম্বারে যোগাযোগ করুন।  

শাহীন, এ রক্ত সইতে পারছি না!


শাহীন, এ রক্ত সইতে পারছি না!

প্রকাশিতঃ সোমবার, জুলাই ১, ২০১৯   পঠিতঃ 53676


রিফাতের মৃত্যু নিয়ে কলম ধরার পর কেমন জানি থমকে গেছিলাম। রক্ত, দা, সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে কতই না আলোচনা হচ্ছে। মৃত্যু আর হত্যা ছাপিয়ে দোষের কাঁটাটা কার ওপর চাপবে তাই নিয়ে সরব সবাই। রিফাতের মৃত্যু ভাবিয়ে তুলেছে। আহারে! যদি ছেলেটা অন্তত বেঁচে থাকতো দায়ের আঘাতগুলো সহ্য করে! মনে হয়েছে, বেঁচে থাকাটাই অনেক বড় কিছু।
 
রাতারাতি পাল্টেছে সে ধারণা। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত,সব হারানো শাহীন হিসেব করে দিয়েছে এলোমেলো।
চৌদ্দ বছর বয়স্ক শাহীনকে যখন পেটের দায়ে ভ্যান চালাতে হয়, তখন সে লজ্জ্বাটা মাথাটা নিচু করে দিতে বাধ্য আমার-আপনার, সবার। কিন্তু, আমরা এতে এতটাই অভ্যস্ত হয়ে গেছি যে, শিশুশ্রম আমাদের নজরই কাড়ে না। কলমের আঁচড়ের বিষয় হয়ে উঠতে পারে না। লজ্জ্বা পাবারই বা কি আছে!
 
থাক। লজ্জ্বা পেতে হবে না। আর একটু গভীরে যাই। এই শাহীনের কাছ থেকে যখন তার একমাত্র সম্বল ভ্যান কেড়ে নেয়া হয়,সে লজ্জ্বা তো পাবেন? এবারও আপনার তেমন একটা কষ্ট হচ্ছে না,বলুন? ভেবে নিয়েছেন, কেউ না কেউ ঠিকই কিনে দেবে। আমার লজ্জ্বা পাবার কি আছে!
 
ধরে নিলাম নেই। এই যে ভ্যানটা কেড়ে নিতে গিয়ে দুস্কৃতিকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত হলো শাহীন, এ লজ্জ্বাও কি আমরা পাবো না? এবার নিশ্চয়ই একটু একটু লজ্জ্বা হচ্ছে। আমার হচ্ছে না। গর্ব হচ্ছে। শাহীনের রক্ত খেটে খাওয়া মানুষের দুর্দশার "গর্ব "আর বিবেকহীন চোরদের দীনতাকেই সামনে এনেছে।
 
ওদেরকে ধন্যবাদ। শাহীনকে এত ছোট বয়সে জীবনের চূড়ান্ত শিক্ষাটা দিয়ে গেছে। এই শাহীন আর যাই পারুক, জীবনে মানুষকে বিশ্বাস করার সাহস দেখাতে পারবে না।
 
শাহীনের রক্ত কিন্তু আমাদের মত গরম রক্ত নয়। সে রক্ত ফেসবুকে হম্বিতম্বি করে টগবগিয়ে ফুঁটতে জানে না। শাহীনের রক্তটা শীতল। শরীরে শান্তভাবে বয়ে চলে সংগ্রাম করতে জানে। ওর ওই রক্তে মিশে আছে সব হারানোর চোখের জল!
 
বাংলানিউজের যশোরে দায়িত্বরত স্টাফ করেসপন্ডেন্ট উত্তম ঘোষ দাদার অনুরোধে কলম ধরেছি। তাকে বলতে চাই, লিখে থেমে যেতে মানুষ হিসেবে জন্মাই নি। আমার একদিনের বেতন শাহীনের কাছে পৌঁছে দিতে চাই আপনার মাধ্যমে। ওর সামনে দাঁড়িয়ে চোখে চোখ রাখার সাহসটাই যে হবে না!
 
লেখক : সিনিয়র সহকারী সচিব, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 

কামরুজ্জামান রাজু /


মন্তব্য করুন

একজন মুক্তিযোদ্ধার খোলা চিঠি: স্বাধীন মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ

দেশের জন্য কখন কী প্রয়োজন, ভালোভাবে জানি: প্রধানমন্ত্রী

গাজীপুরে ফ্যান ফ্যাক্টরিতে আগুন : ১০ জনের মৃত্যু

বাংলাদেশের স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায়ের রচনা শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব হয়েছে -গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

কান ধরে ওঠবোসে স্মৃতিশক্তি বাড়ে

কেশবপুরের হেলথ কেয়ার হসপিটালের ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

দালালদের মাধ্যমে বাংলাদেশে কিছু অনুপ্রবেশ ঘটছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাতে ভোট ম্যানেজকারীদের বেতন বাড়ছে, মিলছে বাড়ি-গাড়ি: সরোয়ার

বৃদ্ধ মহসিনের সর্বস্ব কেড়ে নিয়েছে সন্তানরা

দেশের রক্ত চুষছে দুর্নীতিবাজরা: হাইকোর্ট

স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা প্রকাশ

প্রধানমন্ত্রীর পাশে রাজাকার আছে, নাম বললে দেশে ফেরা বন্ধ হয়ে যাবে : গাফফার চৌধুরী

কালীগঞ্জে সুপারি গাছ থেকে পড়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সিয়াম!

কারাগার থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এহসান হাবিব সুমন এর খোলা চিঠি

যেকোন সময় ঘোষণা হতে পারে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি

এসএসসি পরীক্ষাঃ বাংলা দ্বিতীয় পত্রে বেশি নম্বর সহজেই...

৫০ বছর ধরে দল করেও সুবিধা বঞ্চিত আ'লীগের প্রচার সম্পাদক নূরুল হক

যশোরের রাজগঞ্জে ৫৬ যুবকের উদ্যোগে ভাসমান সেতু র্নিমাণ

কেশবপুরের শাহীনের সেই ভ্যানটি উদ্ধার, আটক তিনজন

নোংরা রাজনীতির শিকার যশোরের এমপি স্বপনের ছেলে শুভ

লালমনিরহাটে এক বিধবা মা বাইসাইকেল চালিয়ে ৪২ বছর স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন

নারী সহকারীর সঙ্গে ডিসির অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল, সংবাদ না করার অনুরোধ

আমি চাই আমাকে দেখে আর দশটা মেয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক - শ্রাবন্তী অনন্যা

বিএনপি নেতা আবু বকর আবু’র জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল

আপনার কাছে জনপ্রিয় খেলা কোনটা ?

  ক্রিকেট

  ফুটবল

  ভলিবল

  কাবাডি

অফিস ঠিকানা  

আর এল পোল্ট্রি, উপজেলা রোড, কেশবপুর বাজার, যশোর।
মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

প্রকাশক ও সম্পাদক 

মোঃ মাহাবুবুর রহমান (মাহাবুর)

মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা