আজ সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২ পৌষ ১৪২৬           আমাদের কথা    যোগাযোগ
Owner

শিরোনাম

  জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল কপোতাক্ষ নিউজের জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী প্রার্থীরা ০১৭১৯২৮০৮২৭ নাম্বারে যোগাযোগ করুন।  

পাসপোর্ট অফিস ও পুলিশ ভেরিফিকেশন ভোগান্তির জাতাঁকলে পিষ্ট আমি


পাসপোর্ট অফিস ও পুলিশ ভেরিফিকেশন ভোগান্তির জাতাঁকলে পিষ্ট আমি

প্রকাশিতঃ শুক্রবার, আগস্ট ৯, ২০১৯   পঠিতঃ 156870


আমরা সকলেই পুলিশ ভেরিফিকেশন কথাটির সাথে কম বেশী পরিচিত। পুলিশ ভেরিফিকেশন মানে টাকা। তবে টাকা দিলেও কাজ হয়না, আবার টাকা নাদিলেও কাজ হয়না। আসলে পুলিশ ভেরিফিকেশন হলো কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে সার্বিক তথ্য উপাত্ত যাচাই বাচাই করা। সাধারণত সরকারী চাকুরীর নিয়োগ,পাসপোর্ট তৈরী, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হয়ে থাকে।

এখন আসুন জানা যাক পুলিশ ভেরিফিকেশেন কি?

পুলিশ ভেরিফিকেশন সাধারণত প্রার্থীর সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ অফিসার কর্তৃক সম্পাদিত তথ্য যাচাই এর প্রক্রিয়া। দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ অফিসার স্বশরীরে গিয়ে আবেদনকারীর তথ্য সংগ্রহ করেন। এ ক্ষেত্রে প্রার্থী আবেদনকারীর ঠিকানা সঠিক আছে কি না ,এটি তার বর্তমান ঠিকানা হলে কিনি সেখানে অবস্থান করছেন কি না, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য প্রদেয় তথ্য সঠিক আছে কি না। এক্ষেত্রে পরিদর্শনে আসা পুলিশ কর্মকর্তা প্রার্থী/আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র,জম্ম সনদপত্র,পৌরসভা/ইউনিয়নপরিষদের সনদপত্র,শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদপত্র, এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি চাইতে পারে। এছাড়া থানায় রক্ষিত তথ্য ভান্ডারের সাথে মিলিয়ে দেখা হয় প্রার্থী/আবেদনকারীর কোন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত কি না। সাধারণত এই সকল বিষয় গুলোই পুলিশ ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে দেখা হয়ে থাকে।

কিন্তু বাস্তবে তার কোন মিল পেলামনা আমি।বাবার চিকিৎসা করানোর জন্য দেশের বাইরে যেতে পাসপোর্ট করাতে এসে। পাসপোর্ট করার সকল নিয়ম নীতি অনুসরণ করেই গত ৭জুলাই ২০১৯ইং আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে অসুস্থ বাবাকে নিয়ে ৩ঘন্টার এক লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দি। পাসপোর্ট ডেলিভারির দিন ধার্যকরা হলো ২৮জুলাই ২০১৯ইং। ১২জুলাই শুক্রবার পুলিশ ভেরিফিকশনের জন্য আমাকে কলা করলেন ঢাকার ঠিকানায় ঝিগাতলা কমিশনার অফিসের সামনে। আমি বললাম বাসায় আসতে পুলিশ অফিসার আমাকে বললেন বাসায় আসা লাগবেনা,আপনি আপনার ও আপনার  বাবার ভোটার আউডি কার্ডের ফটোকপি এবং বাসার একটি বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি নিয়ে দেখা করেন। আমি সবকিছু নিয়ে পুলিশ অফিসে সাথে দেখা করতেই আমার কাছ থেকে কাগজে সিগনেচার করিয়ে সবকিছু বুঝে নিয়ে টাকা দাবি করলেন ১২০০শত। আমি বললাম এটা কিসের টাকা, তিনি বললেন আমাদের বিভিন্ন খরচ আছে।আমি তাকে বললাম বাবা অসুস্থ মানবিক দিক বিবেচনা করে টাকা না নিলে হয়না। তিনি বললেন না ভাই, আমাদের খরচের টাকাটা তো দিবেন। যায় হোক পরি শেষে ৭০০ টাকা নিয়ে বিদায় হলেন।এবং বললেন আমি খুব তাড়াতাড়ি কাজটি করে দিব।তবে আপনার তো দুই ঠিকানায় ভেরিফিকশন হবে সেই ক্ষেত্রে আপনার যশোরের ঠিকানায় অফিসার গেলে তাকে কিছু খরচ দিয়ে দিলে সেই আমাকে কাগজপত্র তাড়াতাড়ি পাঠালে আমি তাড়াতাড়ি পাঠিয়ে দেব।

কথা মতো ১৭জুলাই যশোর পুলিশ অফিসার আমাকে ফোন করলে আমি আমার ছোট চাচা কে পাঠিয়ে দিয় যশোর। সেখানে ৭০০টাকা দিতে হয় তাদের খরচ বাবদ।কিন্তু ঠিক সময় মতো পাসপোর্ট ডেলিভারি না পাওয়াতে আমি পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করলে আমাকে জানানো হয়ে।পুলিশ ভেরিফিকশন রিপোর্ট জমা হয়নি।আমি আবারও যশোর সেই পুলিশ অফিসার করে ফোন করে বলি, তিনি আমাকে বলেন আমি তো ঢাকায় পুলিশ অফিসার কে পাঠিয়ে দিয়েছি আপনি ঢাকা রাজারবাগ অফিসারের কাছে খোঁজ নেন। আমি ঢাকায় অফিসারের কাছে ফোন করলে তিনি বলেন যশোর থেকে এখনো রিপোর্ট পাঠায় নি।পড়ে গেলাম মহা গোলক ধাঁধায়। যশোর থেকে ঢাকা, ঢাকা থেকে যশোর দুই অফিসের দইজন দুজনকে দোষারোপ করে গালিগালাজ করতে থাকে ফোনে আমার সাথে। পরিশেষে আমি আবারো দুই অফিসার কে রিকুয়েষ্ট করে বললাম আজকের মধ্যে পুলিশ ভেরিফিকশন রিপোর্ট জমানা দিলে বাবার চিকিৎসা সময়মত করাতে পারবনা।

তারা আবারো টাকা চাইলেন আমার কাছে।অখন আমি পরিচয় দিলাম। আর বললাম ভাই আমি একজন গণমাধ্যম কর্মী এবং সাবেক ছাত্রনেতা।এখন আপনারা কি করবেন আপনাদের বেপার তবে আমি একশনে যাব।বলে ফোন কেটে দিতেই যশোরের অফিসার আমাকে ফোন করে বললো ভাই আমি এখনি পাঠিয়ে দিয়েছি আপনি ঢাকায় ফ্যাক্স নাম্বার চেক করতে বলেন।আমি ফোন দেওয়ার আগেই ঢাকার অফিসার আমাকে বললেন ভাই এইমাত্র যশোর থেকে রিপোর্ট পেয়েছি। প্রিয় পাঠক হয়তো বলবেন প্রথমে পরিচয় দিলে সমস্যা পড়তাম না।কথা হয়তো ঠিক তবে এদেশে যে সাধারণ মানুষ কোন মূল্য নাই তার আরো একবার প্রমাণ হলো।পরিশেষে পাসপোর্ট পেলাম আরো এক সপ্তাহ পর কারণ পাসপোর্টের পুলিশ রিপোর্ট জমা দিল রবিবার, আর রিপোর্ট পাসপোর্ট অফিসে পৌছালো বুধবার। প্রিন্টের জন্য   নেওয়া হলো বৃহস্পতিবার, শুক্র,শনি সরকারী ছুটি তাই পরবর্তী রবিবারে ডেলিভারি পেলাম পাসপোর্ট। এর মধ্যে পাসপোর্ট অফিসে যেতে হয়েছে ৫বার কখনো আনসারের সহায়তা কখনো সেনাসদস্যের সহয়তা নিতে হয়েছে কারণ সরকারী কাজ মানেই ঐ পুলিশ রিপোর্টের মতো দিচ্ছি তো দিচ্ছি করে একটেবিল থেকে অন্য টেবিল যেতে সময় লাগে দুই থেকে তিনদিন মাঝখানে পড়ে যায় শুক্র, শনি বন্ধ।এ-ই ছুটিয় যেন আরেক ভোগান্তি। 

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পাসপোর্ট অফিসে এই অভিজ্ঞতা আমাকে শিখিয়েছে পদে পদে কী ভোগান্তি ও দুর্ভোগ পোহাতে হয় সেটা আমি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। এবং আমার মতো ভুক্তভোগী ছাড়া কাউকে বলে বোঝানো যাবে না। নানা অজুহাতে ভোগান্তি ও হয়রানির কারণে সাধারণ মানুষ দালালের কাছে ধরনা দিতে বাধ্য হন। জরুরি ফি জমা দিয়েও দ্রুত পাসপোর্ট পাওয়া দুষ্কর ব্যাপার। তবে দালাল ধরলে খুব সহজেই মেলে। আর দালাল চক্রের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেক কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিশেষ করে কিছু আনসার সদস্যের যোগসাজশ চোখে পরার মতো। তারাই পাসপোর্ট অফিসে গড়ে তুলেছেন সঙ্ঘবদ্ধ চক্র। পাসপোর্ট পেতে আবেদনকারী বা তাদের স্বজনদের এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে ঘুরিয়ে বেশ আনন্দ পান অনেক কর্মকর্তা। আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে সেবা নিতে আসা প্রায় সবাই অসহযোগিতার অভিযোগ করে কোনো প্রতিকার পান না।

এ ব্যাপারে নিজের অভিজ্ঞতা সুখকর নয়।এখানে এসে পরিচয় হলো আরো এক ভুক্ত ভুগির সাথে তার মেয়ের পাসপোর্টে ডাক নাম প্রত্যাহার করতে কমপক্ষে পাঁচ দিন আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে যাতায়াতের বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা আমাকে শোনালেন। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেটের সাথে পাসপোর্টের নাম ঠিক রাখতে গিয়ে তাকে আগারগাঁওয়ে পাসপোর্ট অফিসে বেশ কয়েক দিন পদে পদে হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। প্রথমে তথ্য কেন্দ্র হতে বলা হয়, পাসপোর্টে কোনো সংশোধনী আপাতত বন্ধ। তবু নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসারদের কাছে থেকে ছাড়া পেয়ে ষষ্ঠতলায় পরিচালকের সাথে দেখা করলে তিনি সংশোধনের বিষয়ে তৃতীয়তলায় এক নারী কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে বলেন।

তিনি দেখা করতে রাজি হলেন না। তিন দিনেও পাসপোর্ট জমা দিতে না পেরে শুধু পরিচালক আর ওই নারী কর্মকর্তার কাছে উপর-নিচে অফিসে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে পড়েন লোকটি। শেষে ফের পাসপোর্ট অফিসের ষষ্ঠতলায় পরিচালকের সাথে অনেক কষ্টে দেখা করলে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে পাশের ভবনে অতিরিক্ত মহাপরিচালকের সাথে দেখা করতে বলেন। সেখানে গিয়ে বহু প্রতীক্ষার পর পরের দিন মেয়েকে নিয়ে পাসপোর্টের আবেদন জমা দেই। আবেদনপত্র যিনি জমা নেন, মোবাইলে কথা বলায় ব্যস্ত থাকায় জরুরি ফির পরিবর্তে সাধারণ হিসেবে জমা নেন। পরে ভুল ধরিয়ে দিলে ফের তা সংশোধনের জন্য অন্য কক্ষে আরেকজনের কাছ থেকে ঠিক করে এনে জমা দিতে হয়। পদে পদে বিড়ম্বনা। এসব কারণে দালালদের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হন আবেনকারীরা।

হয়রানি ও ভোগান্তির ব্যাপার এই যে, জরুরি ফি জমা দেয়ার পর পাসপোর্ট প্রাপ্তির বার্তা মুঠোফোনে না পেলে সংশ্লিষ্ট অফিসের তথ্যকেন্দ্রে গেলে তারা বলেন, এসবি রিপোর্টের জন্য এটি বন্ধ। এবার নতুন করে ভোগান্তি শুরু- ৭০২ নম্বর কক্ষে যেতে বলেন। সেখানে এ টেবিল ও টেবিল ঘুরে ঘুরে শেষ পর্যন্ত উচ্চমান সহকারী পাঠান উপ-সহকারী পরিচালকের দফতরে। তিনি আবার পাঠান ৬০২ নম্বর কক্ষে। সেখানে গেলে বলা হয়, এসবি রিপোর্টের জন্য বন্ধ। আবার যেতে হয় ৭০২ নম্বর কক্ষে। আবারো ৬০২ কক্ষে পাঠানো হয়। ওই কক্ষে যিনি দায়িত্বশীল তিনি বলেন, এবার প্রিন্টে পাঠাব। ম্যাসেজ পেলে পাসপোর্ট নিতে আসবেন। পাসপোর্ট অফিসের এমন হয়রানি দেখে হতবাক হয়ে যায় ভুক্ত ভুগিরা।

পাসপোর্ট প্রক্রিয়াকরণের বিভিন্ন ধাপে বিদ্যমান অনিয়ম, হয়রানি, দুর্ভোগ, বিড়ম্বনা, দুর্ব্যবহার এবং সেখানে কর্তব্যরত অনেক আনসারের দৌড়ঝাঁপ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে তাদের শখ্যই প্রমাণ করে পাসপোর্ট অফিসের সেবার মান কেমন। আবেদনকারীদের পুলিশ ভেরিফিকেশন করাতেও জীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। দীর্ঘ লাইন, বারবার আসা-যাওয়া ইত্যাদি নিয়ম-কানুন সম্পর্কে না জানা, দালালদের সহযোগিতা ছাড়া আবেদনপত্র জমা দিলে কর্তৃপক্ষের বেশির ভাগ সময় তা জমা না নেয়া, দ্রুত পাসপোর্ট পেতে বাধ্য হয়ে দালালদের সহযোগিতা নেয়া পাসপোর্ট অফিসে যেন সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পাসপোর্ট সরবরাহে ইতিবাচক কিছু পরিবর্তন এলেও পাসপোর্ট জমার ক্ষেত্রে হয়রানি বেড়েছে, বৈ কমেনি। বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশে পাসপোর্টের মেয়াদ পাঁচ বছরের পরিবর্তে ১০ বছর করার মধ্য দিয়ে সেবার মান বাড়ানো এবং পাসপোর্ট অফিসের অনিয়ম, হয়রানি, ভোগান্তির জন্য কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে আবেনকারীদের দুর্ভোগ কমত বলে মনে করি।

ভুক্তভোগী লেখক,
মোঃ শাহ্ জালাল,
একজন গণমাধ্যম কর্মী ও সাবেক ছাত্রনেতা।

শাহ্‌ জালাল / কামরুজ্জামান রাজু


মন্তব্য করুন

রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার নাম, মেয়ের প্রতিবাদ

জুতা পায়ে শহীদ মিনারে অধ্যক্ষ, বিক্ষুব্ধ জনতার গণধোলাই

যারা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই: তথ্যমন্ত্রী

মণিরামপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

মুখোশ পরে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে হামলা, বঙ্গবন্ধু ও প্রথামন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর

রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার নাম, মেয়ের প্রতিবাদ

বীর শহীদদের প্রতি জৈন্তাপুর হাট-বাজার ইজারাদারের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা

কপোতাক্ষ নিউজের প্রকাশক ও সম্পাদক এর জন্মদিন আজ

কপোতাক্ষ নিউজের বার্তা সম্পাদক পুত্র সন্তানের বাবা হলেন

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মহান বিজয় দিবস আজ

ইতিহাসের এই দিনে: ১৬ ডিসেম্বর

কালীগঞ্জে সুপারি গাছ থেকে পড়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সিয়াম!

কারাগার থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এহসান হাবিব সুমন এর খোলা চিঠি

যেকোন সময় ঘোষণা হতে পারে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি

এসএসসি পরীক্ষাঃ বাংলা দ্বিতীয় পত্রে বেশি নম্বর সহজেই...

৫০ বছর ধরে দল করেও সুবিধা বঞ্চিত আ'লীগের প্রচার সম্পাদক নূরুল হক

যশোরের রাজগঞ্জে ৫৬ যুবকের উদ্যোগে ভাসমান সেতু র্নিমাণ

কেশবপুরের শাহীনের সেই ভ্যানটি উদ্ধার, আটক তিনজন

নোংরা রাজনীতির শিকার যশোরের এমপি স্বপনের ছেলে শুভ

লালমনিরহাটে এক বিধবা মা বাইসাইকেল চালিয়ে ৪২ বছর স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন

নারী সহকারীর সঙ্গে ডিসির অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল, সংবাদ না করার অনুরোধ

আমি চাই আমাকে দেখে আর দশটা মেয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক - শ্রাবন্তী অনন্যা

বিএনপি নেতা আবু বকর আবু’র জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল

আপনার কাছে জনপ্রিয় খেলা কোনটা ?

  ক্রিকেট

  ফুটবল

  ভলিবল

  কাবাডি

অফিস ঠিকানা  

আর এল পোল্ট্রি, উপজেলা রোড, কেশবপুর বাজার, যশোর।
মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

প্রকাশক ও সম্পাদক 

মোঃ মাহাবুবুর রহমান (মাহাবুর)

মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা