আজ শনিবার, ৬ জুন ২০২০, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭           আমাদের কথা    যোগাযোগ
Owner

শিরোনাম

  জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল কপোতাক্ষ নিউজের জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী প্রার্থীরা ০১৭১৯২৮০৮২৭ নাম্বারে যোগাযোগ করুন।  

শুভ জন্মদিন আমাদের ছোট আপা


শুভ জন্মদিন আমাদের ছোট আপা

প্রকাশিতঃ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯   পঠিতঃ 177093


প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চতুর্থবারের মতো শপথ নিলেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী হয়ে সবার আগে যার কাছে ছুটে গেলেন। তিনি হলেন তার আদরের ছোটবোন শেখ রেহানা। সবার আগে গিয়ে জড়িয়ে ধরলেন বোন শেখ রেহানাকে।প্রধানমন্ত্রী ছোট বোনকে বুকে জড়িয়ে নেন। কপালে চুমু দেন। শেখ রেহানাও বড় বোনকে জড়িয়ে ধরে রাখেন কিছুক্ষণ। এ সময় পুরো হলে পিনপতন নীরবতা নেমে আসে। সবাই দাঁড়িয়ে যান। পরে প্রধানমন্ত্রী নিজের আসনে গিয়ে বসেন এবং মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান দেখেন।দুই বোনের এমন স্নেহ ভালোবাসাই দুজনকে বাঁচিয়ে রেখেছে।

শুভ জন্মদিন শেখ রেহানা, আমাদের ছোট আপা।১৯৫৫ সালের এই দিনে জন্ম নেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের গর্বিত মা।মায়ের ডাক নাম রেণুর প্রথম অক্ষর আর বড়বোন হাসিনার শেষের অক্ষর অক্ষুন্ন রেখে নাম। পারিবারিক পদবী যুক্ত হয়ে পরিপুর্ণ নাম শেখ রেহানা। অতি আদরের ছোট ভাই রাসেলের কাছে যিনি ছিলেন ‘দেনা’ আপা। রাসেলের দেনা আপা কিংবা বাবা-মায়ের আদরের রেহানা বা মুন্নার জন্ম ও বেড়ে ওঠা এমন এক সময়ে যখন বঙ্গবন্ধু ধীরেধীরে হয়ে উঠছেন বাঙালি জাতির সকল আশা-ভরসার মুর্তপ্রতীক। বাংলা ও বাঙালির মুক্তির প্রতিকৃত। জেল-জুলুম-নির্যাতন যার নিত্যসঙ্গী। শেখ রেহানা যখন বুঝতে শিখেছেন, তখনই দেখেছেন বাবা শেখ মুজিব বাঙালি জাতির শোষণমুক্তির জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর কারাগারে। কারাগারই যেন তার মূল বাড়ি। আর নিজ বাড়িতে তিনি যেন ক্ষণিকের অতিথি। ঈদ-পার্বনে প্রায়ই তিনি কারাগারে। যদিওবা কখনো তিনি বাড়িতে থাকার সুযোগ পেতেন তখন বঙ্গবন্ধু পরিবারে সে বছরের ঈদ হত সবচেয়ে সেরা ঈদ। শেখ রেহানা এক স্মৃতিচারনে লিখেছেন, “ছোটবেলায় দেখতাম, আব্বা প্রায়ই থাকতেন জেলখানায়। আমদের কাছে ঈদ ছিল তখন, যখন আব্বা জেলখানার বাইরে থাকতেন, মুক্ত থাকতেন। আব্বাও জেলের বাইরে, ঈদও এলো এমন হলে তো কথাই নেই। আমদের হতো ডাবল ঈদ।”

বঙ্গবন্ধুর এমনই কপাল তিনি কোন মেয়ের বিয়েতেই উপস্থিত থাকতে পারেননি। বড়মেয়ের বিয়ের সময় জেলে আর ছোটমেয়ের বিয়ের আগেই তো ঘাতকের হাতে জীবন দিতে হল। আর বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেসা রেণু নিজ হাতে বড়মেয়ে হাসুর বিয়ে দিতে পারলেও ছোট মেয়ের বিয়ে দিতে পারেননি ঘাতকের হাতে নিহত হবার কারনে। শেখ হাসিনার সন্তান জয়-পুতুল নানা-নানী-মামাদের আদর পেলেও, শেখ রেহানার সন্তান ববি, টিউলিপ, রূপন্তি তাঁদের আদর থেকে বঞ্চিত হয়েছে। পরিবারের বড় জামাতা ড. ওয়াজেদ মিয়া শ্বশুড়-শ্বাশুড়ির আদর-আপ্যায়ন পেলেও, ছোট জামাতা ড. শফিক সিদ্দিক তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

শেখ রেহানার বিয়ে সম্পন্ন হয় লন্ডনের কিলবার্নে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সুখ দুঃখের সাথী, বঙ্গবন্ধুর ফুফাতো ভাই মোমিনুল হক খোকার বাড়িতে ১৯৭৭ সালের জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে ড. শফিক সিদ্দিক-এর সাথে। শফিক সিদ্দিক তখন বিলেতের সাউদাম্পটন ইউনিভার্সিটিতে উচ্চ শিক্ষারত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় থাকাকালীন তিনি সেখানে এসেছিলেন। শেখ রেহানাও বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে শহীদ হবার পর বড়বোন শেখ হাসিনার সাথে জার্মান থেকে দিল্লি চলে যান এবং সেখান থেকে পরে তাদের প্রিয় খোকা চাচার নিকট লন্ডনে এসে বসবাস শুরু করেন। শফিক সিদ্দিক-এর পরিবার ও শেখ রেহানাদের পরিবার ছিলেন পুর্ব পরিচিত এবং ১৯৭৪ সালেই পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ের পাকা কথা হয়েছিল। সব ঠিকঠাক থাকলে শেখ রেহানা জার্মানি থেকে ফিরে আসার পর বিবাহের কাজটি সম্পন্ন হবার কথা ছিল। কিন্তু পনেরোই আগস্টের হত‍্যাকান্ডের পর দেশে যাওয়া এবং বেঁচে থাকাই যেখানে অনিশ্চিত হয়ে যায়, সেখানে আবার বিয়ে? তারপরও জীবন থেমে যায় না। জীবন নদীর মতো বহমান। কিন্তু একটি কথা বলতেই হয় বঙ্গবন্ধু পরিবারের সবচেয়ে দুঃখী সন্তানের নাম হলো ‘রেহানা’। ছোট ভাই রাসেল ছাড়া সবার নিকট যে ছিলেন আদরের `মুন্না`। দুঃখ কষ্ট তাঁকে, তাদের দু‘বোনের পরিবারকে তাড়া করে ফিরেছে। এখনো তো বাবা মা ভাই হারানোর বেদনা তাঁদের তাড়া করে বেড়ায়। যদিও পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে তারা অনেকটাই এখন সুখের পরশ পাচ্ছেন। তবে একটা বিষয়ে তাদের চরম শত্রুও স্বীকার করতে বাধ্য হবে, পারিবারিক শিক্ষা, বিশেষ করে মায়ের দেয়া শিক্ষা তাঁদেরকে ধৈর্য, সাহস, বিচক্ষণতা, অধ‍্যাবসায়, ত‍্যাগ, নির্লোভতা চলার পথকে সুগম করেছে। বিজয়ী করেছে। পুরোপুরি সুখী করতে না পারলেও স্বস্তি দিয়েছে। প্রেরণা যুগিয়েছে যুদ্ধজয়ের। বাংলা ইনসাইডার

ইসরাফিল হোসেন / ইসরাফিল হোসেন


মন্তব্য করুন

মনিরামপুরে টিন-টাকা পাওয়া ক্ষতিগ্রস্থদের বাড়ি পরিদর্শনে ইউএনও

যশোরে ক্ষুধার্ত হনুমানের কামড়ে ৩ দিনে ১২ জন আহত

চুয়াডাঙ্গায় পাঁচ এসআইসহ আরো ১১ জন করোনা শনাক্ত

যুগ্মসচিব হলেন যশোরের ডিসি

যশোর রোড অবরোধ করে থানার সামনে বিজেপি’র অবস্থান-বিক্ষোভ

জনবান্ধব ও সফল ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন

মনিরামপুরের শ্যামকুড়ে আম্পানে কেড়ে নিল দিনমজুরের বাসস্থান, পায়নি কোন সহায়তা

কেশবপুরে অনলাইনে চিত্রাংকন ক্লাসের উদ্বোধন

হিলি স্থল বন্দরে আমদানি-রপ্তানী চালু করতে সীমান্তের শুন্যরেখায় ব্যবসায়ীদের বৈঠক

কপোতাক্ষ পরিবারের রানা-রবি পৃথক দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত

উদীচী কেশবপুর শাখার মানবিক সহায়তা প্রদান

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও আমাদের করণীয়: তাপস মজুমদার

কালীগঞ্জে সুপারি গাছ থেকে পড়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সিয়াম!

কারাগার থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এহসান হাবিব সুমন এর খোলা চিঠি

এসএসসি পরীক্ষাঃ বাংলা দ্বিতীয় পত্রে বেশি নম্বর সহজেই...

যেকোন সময় ঘোষণা হতে পারে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি

যশোরে এবার সরকারি চালসহ ঘাতক দালাল নিমূল কমিটির নেতা আটক

৫০ বছর ধরে দল করেও সুবিধা বঞ্চিত আ'লীগের প্রচার সম্পাদক নূরুল হক

যশোরের রাজগঞ্জে ৫৬ যুবকের উদ্যোগে ভাসমান সেতু র্নিমাণ

কেশবপুরের শাহীনের সেই ভ্যানটি উদ্ধার, আটক তিনজন

লালমনিরহাটে এক বিধবা মা বাইসাইকেল চালিয়ে ৪২ বছর স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন

নোংরা রাজনীতির শিকার যশোরের এমপি স্বপনের ছেলে শুভ

নারী সহকারীর সঙ্গে ডিসির অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল, সংবাদ না করার অনুরোধ

ব্যাচমেট হিসেবে সাইয়েমার পক্ষে সকলের কাছে ক্ষমা চাইলেন কেশবপুরের এসিল্যাণ্ড

আপনার কাছে জনপ্রিয় খেলা কোনটা ?

  ক্রিকেট

  ফুটবল

  ভলিবল

  কাবাডি

অফিস ঠিকানা  

আর এল পোল্ট্রি, উপজেলা রোড, কেশবপুর বাজার, যশোর।
মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

প্রকাশক ও সম্পাদক 

মোঃ মাহাবুবুর রহমান (মাহাবুর)

মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা