আজ সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ১১ ফাল্গুন ১৪২৬           আমাদের কথা    যোগাযোগ
Owner

শিরোনাম

  জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল কপোতাক্ষ নিউজের জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহী প্রার্থীরা ০১৭১৯২৮০৮২৭ নাম্বারে যোগাযোগ করুন।  

ছাত্র রাজনীতিতে সোনালি অর্জন ম্লান হতে চলেছে: স্বাধীন মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ


ছাত্র রাজনীতিতে সোনালি অর্জন ম্লান হতে চলেছে: স্বাধীন মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ

প্রকাশিতঃ শনিবার, জানুয়ারী ৪, ২০২০   পঠিতঃ 79380


"আমাদের দাবি আমাদের দাবি
মানতে হবে মানতে হবে।"

প্রাচ্যের অ্যাক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্তর থেকে শুরু করে রাজপথ অবধি সেই ব্রিটিশ যুগ থেকে আজ পর্যন্ত  নায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এদেশের মূল চালিকাশক্তি তথা জাতির মেরুদন্ড বারবার স্বরুপে অবিভূত হয়েছেন স্থান, কাল, পাত্র ভেদে।কখনও বা নিজেদের  শিক্ষার মান উন্নয়ন,  শিক্ষার্থীদের উপর করা অন্যায়, অবিচার, নির্যাতনের প্রতিবাদ করতে পঞ্চমুখ। আবার কখনও বা এদেশের সাধারণ খেঁটে খাওয়া মানুষের উপর জোর পূর্বক চাপিয়ে দেওয়া এবং বলবত করা শাসক গোষ্টির মন গড়া নিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার এ দেশের তরুণ ও মেধাবী ছাত্রসমাজ। স্বজাতির অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে নিজেদের ভিত্ত মজবুত রাখতে এদেশের ছাত্রসমাজ বেঁছে নিয়েছেন এক একটি নীতি, আদর্শ, পন্থা, পথ।  দলে দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন ক্ষমতাসীন কিংবা ক্ষমতাচ্যূত রাজনৈতিক দলগুলোতে।

আমরা যদি সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত পাকিস্তান রাষ্ট্রের ইতিহাস পর্যলোচনা করি তবে জানতে পারবো ব্রিটিশ শাসক গোষ্টি হাত থেকে ভারত-পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের মুক্তির জন্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন তৎকালীন ছাত্রসমাজ। সাল ১৯৪৮,  ৪ ঠা জানুয়ারী। সেই থেকে শুরু পূর্ব পাকিস্তানের অবিসংবাদিত নেতা, বাংলার রাখাল রাজা খ্যাত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে। পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম ছাত্রলীগ। তখন দেশে তুমুল আন্দোলন চলমান। ছাত্রসমাজের একক নেতৃত্বে মুসলিম ছাত্রলীগ। মুক্তির নেশায় মাইন্ডের মত বাস্ট হতে থাকে এক একটা ইস্যু, আন্দোলন।  প্রথমে নায্য দাবি মুখে ভাষা রক্ষার। তৎকালীন শাসক গোষ্টি কোনো ভাবেই মেনে নিতে নারাজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্টানের ছাত্ররা রাজপথে। অবশেষে ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে মায়ের মুখের ভাষার মান রক্ষা করা হয়। আমাদের কাছে চিরো স্মরণীয় নাম রফিক, শফিক, জব্বার, সালাম, বরকত। তারপর পর্যায়ক্রমে ১৯৫৪, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ এবং সবশেষে ১৯৭১ ছাত্রসমাজ ছিলো ইতিবাচক আন্দোলনের মূল হুতা। 

সদ্য জন্ম নেওয়া স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনেও ছাত্রসমাজ বা ছাত্ররাজনীতি পিছিয়ে ছিলো না। একজন শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে পরিণত করেছিলো ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ। দেশ এগিয়ে যেতে থাকে বাড়তে থাকে দল, মতের পার্থক্য।

১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগষ্ট স্বপরিবারে হত্যা করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।  থমকে দাঁড়ায় এদেশ, এদেশের রাজনীতি। ১৯৯০ সালে সেনা শাসন শুরু হলে ছাত্র রাজনীতির উৎকৃষ্ট উদাহরণ এদেশের নূর হোসেন রা নিজের জীবন বাজি রেখে পরিস্থিতি স্থীর করেন। বাংলাদেশের মানুষের কাছে ১/১১ আর একটি অধ্যায়ের নাম। যেখানে কঠোর,  আন্দোলন,  সংগ্রাম করতে হয়েছিলো ছাত্রনেতা সিদ্দিকী নাজমুল আলম, বদীউজ্জামান সোহাগদের।আমাদের স্বপ্নের সোনার বাংলার ছাত্ররাজনীতির ইতিহাস ছিলো এমনি এক একটা গৌরবময় অধ্যায় ও অর্জনের।

বর্তমান সময়ে ছাত্ররাজনীতি হয়ে গেছে স্বার্থনেষী। এখন আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের  ক্যাম্পাসের সবুজ চত্তর থেকে শেখ মুজিবের মত ছাত্রনেতার জন্ম হয় না। যে কিনা মিশন হাইস্কুলে পড়াশুনা করা কালীন সময়ে বাংলার বাঘ শেরে বাংলা এ কে ফজলুর হকের গাড়ি গতিরোধ করে বলিষ্ঠ ও দ্যর্থ হীন কন্ঠে বলেন
 "আমাদের ছাত্রাবাস মেরামত করতে হবে আমরা আপনার সাহায্য চাই।" নগত ১৬০০ টাকা নিয়ে ছাত্রনেতা শেখ মুজিব ছাত্রাবাস মেরামতের কাজ শুরু করে দেন।

বর্তমান সময়ে ছাত্রসংগঠন গুলোর মধ্যে ছাত্ররাজনীতিতে বাজিমাত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দীর্ঘ ৪০ বছর পর (প্রায়) ছাত্রসংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেটা প্রমাণ করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণের আর বেশি দেরি নেই।বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে মানবিক ছাত্রলীগ আজ এই দেশের ইতিহাসে সেরা ছাত্র সংগঠন। অতীতের ছাত্রসংগঠন গুলোর তুলনায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সুসংগঠিত এবং সাধারণ ছাত্র ছাত্রীদের সুখ,  দুঃখ ভাগ করে নিতে সব সময় তাদের পাশে দাঁড়ান। যে মহান নেতার হাত ধরে স্বাধীনতা অর্জন, স্বপ্নের সোনার বাংলার জন্ম সেই মহান নেতার নিজ হাতে গড়া ছাত্র সংগঠন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট ছাত্র সংগঠন হবেই সেটা নিঃসন্দেহ বলা যায়।
এখন আর টিভির শিরোনাম হয় না 
 "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সন্ত্রাসী তান্ডবে অনির্দিষ্ট কালের জন্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে "
এখন আর খবরের পাতায় চোখের পানি ঝরে পড়ে না এটা দেখে যে,
"ছাত্রশিবিরের দেশীয় অস্ত্রে প্রাণ গেল রাবির মেধাবী ছাত্রের।"
এখন খবরের পাতায় চোখ মেলতেই ভেসে উঠে,
" ২টা কিডনি বিকল প্রসেনজিৎ এর জীবন বাঁচাতে রাস্তায় নামল যশোর জেলা ছাত্রলীগ।"
কিংবা "উত্তর বঙ্গের বন্যায় পানি বন্ধি মানুষের পাশে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।"

তবে দুঃখের বিষয় বড়ই পরিতাপের সাথে বলতে হয় কিছু কথা।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার কারণে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে আমার শৈশবের লালিত স্বপ্ন, যৌবনের প্রথম প্রেম বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভাই বন্ধুদের ভিতর। কতিপয় কালের অাবর্তে জন্ম নেওয়া অশুভ শক্তির নেকনজরে বড় হওয়া খন্দকার মোস্তাকের জন্য আমার প্রাণের সংগঠন, অস্তিত্বের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভিতর তৈরি হতে চলেছে দ্বন্ধ, সৎঘাত। প্রকৃতপক্ষে যেটা কখনও সভ্য রাজনীতির কাম্য নয়।ঐ খন্দকার মোস্তাকের প্রেত আত্মারা একজন সাধারণ ছাত্রকে যে কিনা বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে, পরিবারের দুঃখ, দূর্দশা দূর করতে একটা ভালো কিছু করার আশায়  পাড়ি জমিয়েছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের কড়িডোরে তার হাতে কলমের পরিবর্তে তুলে দিচ্ছে অস্ত্র।  নিজেদের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে তৈরি করছে এক একটা ক্যাডার। তবে এ কথাও সত্য বুকে হাত রেখে বলা যায় যারা শেখ মুজিবের আদর্শের অনুসারি যুগে যুগে  তারা ইতিবাচক ছাত্রনেতায় পরিণত হয়। তারা কখনও জাতীয় বেইমান হতে পারে না।

আমাদের সামনে আর সময় নেই। আজ বাদে কাল আমরাও ক্ষমতাসীন থেকে সাবেক হব আমাদের এখুনি প্রস্তুতি নেওয়া দরকার আগামি নেতৃত্ব তৈরি করতে, নেতা নির্বাচনে।

সুন্দর চেহারা কখনও নেতৃত্বের গুণাবলি হতে পারে না। তাই যদি হত তবে দক্ষিণ অাফ্রিকার কিংবদন্তি নেতা নেলসন মেন্ডেলা হত না। সাধারণ ছাত্রছাত্রীর টিউশনি করে জমানো টাকা থেকে চাঁদাবাজি করে নেশায় ডুবে থাকা কখনও নেতৃত্বের গুণাবলি হতে পারে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনের উপর চাপ সৃষ্টি করে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালানো, টেন্ডারবাজি করা কখনও নেতৃত্বের গুণাবলি হতে পারে না। ছাত্র রাজনীতির নামে নিজেদের সংগঠনের ভিতর গ্রুপিং জোরদার করতে অছাত্র, পেশাগত সন্ত্রাস, একাধিক মামলার আসামি, বিএনপি জামায়াত পরিবারের সন্তানদের রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পালা কোনো একক ব্যক্তির স্বার্থে এটা কখনও ছাত্ররাজনীতির গুণাবলি হতে পারে না।  ছাত্র রাজনীতির নামে শিক্ষাঅঙ্গনে সন্ত্রাসী তান্ডব কোনো ছাত্র সংগঠনের থেকে আশা করে না এদেশের সভ্য সমাজ। আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে এহেন অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে। আমরা জানি শস্যের ভিতরে ভূতও থাকতে পারে। বারবার ছেঁকে শুদ্ধ করার পরও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে কিছু আমদানিকৃত হাউব্রিড খন্দকার মোস্তাকের চেলা, জিয়ার কুলঙ্কার সন্তানেরা আজ গলা বাজি করে
  "আমার নেতা তোমার নেতা
  শেখ মুজিব শেখ মুজিব বলে।"
যার পিছনে ইন্দন থাকে দলের কোনো সিনিয়ার নেতার।যে কিনা নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্যে রাজনৈতিক দলকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর রাজনীতিকে ব্যবসা হিসাবে জানেন। আর ছাত্ররাজনীতিকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কিছু ত্যাগী, পরিশ্রমী, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদি নাম বুক পকেটে অভিমান নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।

সারাদেশে গণজোয়ার চলছে ছাত্ররাজনীতিতে ছাত্রলীগের। তবে এটা মনে রাখা দরকার রাজাকারের রক্তে কখনও সেখ মুজিবের অাদর্শের জন্ম হতে পারে না, শেখ মুজিবের আদর্শ বাঁচতে পারে না। দেশদ্রোহি রাজাকার সে তো বেইমানই। তাই সতর্ক থাকতে হবে নেতা নির্বাচনে।
ছাত্রছাত্রীদের সমসাময়িক ভিভিন্ন দাবি দাবা আদায়ে এবং দেশের বর্তমান অাগ্রগতিতে চোখ কান খোলা রাখতে হবে সব সময় গুজুবের বিরুদ্ধে। দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ছাত্র নেতৃত্ব তৈরি করার সময় মাথায় রাখতে হবে সাধারণ ছাত্র ছাত্রীদের সুখ,  দুঃখ ভাগ করে নিতে তাদের পাশে থাকেন কোন ছাত্রনেতা। কাদের হাতে ছাত্র রাজনীতির  দায়িত্ব দিলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে একটু হলেও পথ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

আমাদের প্রিয়নেত্রী, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা, মানবতার মা, জননেত্রী শেখ হাসিনা আপা সব সময় বলেন আগে ভালো ছাত্র হতে হবে তারপর ছাত্রনেতা। তাই ছাত্ররাজনীতিকে মুখ্য বিষয় করে দেখলে চলবে না। পড়াশুনার পাশাপাশি ছাত্র রাজনীতিকে শখ হিসাবে বেঁছে নিতে হবে। পাশে দাঁড়াতে হবে ছোট বড় ভাই বন্ধুদের। শিক্ষা অঙ্গনে সন্ত্রাস দূর করতে প্রশাসনের সাথে কাজ করে যেতে হবে। নতুবা আমাদের বেলা শেষে রিক্ত হস্তে ফিরতে হবে। ২০ টাকা দামের চটি স্যান্ডেল, ১৫০ টাকা দামের শার্ট আর ২০০ টাকা দামের পোশাক পরে এক বেলা খেয়ে অন্য বেলা ১ টা সিঙ্গরা, ১ কাপ  চা খেয়ে দিন পার করাটা শুধু রুপকথার গল্পই মনে হবে। তাই আসুন আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে সকল অশুভ শক্তির মোকাবেলা করে তার দেখানো পথে ছাত্র রাজনীতি করি, আমরা ছাত্রলীগ করি।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
জয় হোক বাংলাদেশ ছাত্রলীগের

(স্বাধীন মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।)

কামরুজ্জামান রাজু / কামরুজ্জামান রাজু


মন্তব্য করুন

মুরাদনগরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক এক

ইঞ্জিনিয়ার মনির খাঁন তৃতীয় বারের মত সভাপতি নির্বাচিত

বাংলাদেশকে লন্ডনের মতো উন্নত করতে চান পরিকল্পনামন্ত্রী

আওয়ামী লীগ ছাড়া সবার মনোনয়নপত্র বাতিল

‘বউমাকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে আমার ছেলে’

প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন পাপিয়া

ভেড়ামারায় অবৈধ ফেন্সিডিল ও মোটর সাইকেল উদ্ধার

মনিরামপুরের মশ্মিমনগর ইউপির চেয়ারম্যান আড়াই বছর ধরে করছেন সচিবের কাজ

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের পরীক্ষা নিলেন সাংসদ ইসরাফিল

অচল হাত-পায়ে পিএইচডি, এখন লাখো মানুষের আদর্শ

উল্টা-পাল্টা নিউজ করলে সাংবাদিকদের খবর আছে, এসএম হল ভিপি

বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকে বন্ধ হয়ে গেলে গ্রাহক ক্ষতিপূরণ পাবে এক লাখ টাকা

কালীগঞ্জে সুপারি গাছ থেকে পড়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সিয়াম!

কারাগার থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এহসান হাবিব সুমন এর খোলা চিঠি

যেকোন সময় ঘোষণা হতে পারে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি

এসএসসি পরীক্ষাঃ বাংলা দ্বিতীয় পত্রে বেশি নম্বর সহজেই...

৫০ বছর ধরে দল করেও সুবিধা বঞ্চিত আ'লীগের প্রচার সম্পাদক নূরুল হক

যশোরের রাজগঞ্জে ৫৬ যুবকের উদ্যোগে ভাসমান সেতু র্নিমাণ

কেশবপুরের শাহীনের সেই ভ্যানটি উদ্ধার, আটক তিনজন

লালমনিরহাটে এক বিধবা মা বাইসাইকেল চালিয়ে ৪২ বছর স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন

নোংরা রাজনীতির শিকার যশোরের এমপি স্বপনের ছেলে শুভ

নারী সহকারীর সঙ্গে ডিসির অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল, সংবাদ না করার অনুরোধ

আমি চাই আমাকে দেখে আর দশটা মেয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক - শ্রাবন্তী অনন্যা

বিএনপি নেতা আবু বকর আবু’র জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল

আপনার কাছে জনপ্রিয় খেলা কোনটা ?

  ক্রিকেট

  ফুটবল

  ভলিবল

  কাবাডি

অফিস ঠিকানা  

আর এল পোল্ট্রি, উপজেলা রোড, কেশবপুর বাজার, যশোর।
মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

প্রকাশক ও সম্পাদক 

মোঃ মাহাবুবুর রহমান (মাহাবুর)

মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা