আজ শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭           আমাদের কথা    যোগাযোগ

শিরোনাম

  প্রতিনিধি হইতে ইচ্ছুকরা ০১৭৪৭৬০৪৮১৫ নাম্বারে যোগাযোগ করুন।  

কিভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া যায়


কিভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া যায়

প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ৯, ২০২০   পঠিতঃ 164241


বানিজ্য বিভাগের ছাত্র ছিলাম আমি,১০বছর পড়ালেখা করেছি কিভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন আমাদের  দেশে একটি বিশাল বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি হওয়ার পেছনে মূল কারণগুলোর একটি হলো উদ্যোক্তার অভাব। এই অভাবটি মূলত সৃষ্টি হয়েছে উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হতে না পারার ভীতির কারণে। আমরা অনেকেই ভাবে যে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হলে হয়তোবা প্রচন্ড রকমের সৃজনশীল হতে হবে কিংবা যুগান্তকারী একটি আইডিয়া থাকতে হবে। কিন্তু ব্যাপারটি আসলে সম্পূর্ণরূপে ওরকম না। সফল উদ্যোক্তা হওয়ার পেছনে কাজ করে আরো অনেকগুলো বিষয়। তার মধ্যে একটি হলো কর্মপরিকল্পনা গুলোর সঠিক বাস্তবায়ন।

তাহলে কি কি কাজ করলে একজন সাধারন মানুষ হতে পারবে একজন সফল উদ্যোক্তা? এই ব্যাপারগুলো পরিষ্কার ভাবে আপনাদের সামনে তুলে ধরতেই এই লেখাটি। চলুন জেনে নেই একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হলে অবশ্যই করণীয় কাজগুলি সম্পর্কে।

১.আমাদের লক্ষ্য অর্জনে যথেষ্ট আগ্রহী হতে হবে:
সাফল্য অর্জনের জন্য যদি তীব্র পরিমাণে উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ না করে, তবে সেই কাজ যথা সময়ে সঠিকভাবে সম্পন্ন হয় না। উদ্যোক্তা হিসাবে যদি আপনার মাঝেই উৎসাহ-উদ্দীপনার অভাব কাজ করে, তাহলে ভেবে দেখুন এর প্রভাবে আপনার স্টার্টাপের অন্যান্য সদস্য এবং কাস্টমারের অবস্থা কী হবে। আপনার উৎসাহ উদ্দীপনা দেখেই আপনার টিমের সদস্যরা অধিক কাজ করতে উৎসাহিত হবে। উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে যখন আপনি এবং আপনার টিম কাস্টমারদের সেবা প্রদান করবেন, তখন কাস্টমারের ও আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রতি আগ্রহ বাড়বে। কাস্টমারকে খুশী রাখাই একটি প্রতিষ্ঠান মূল উদ্দেশ্য। তাই কাস্টমার যখন আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রতি খুশি হবে, তখন আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি উদ্যোক্তা হিসেবে সফলতার দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন।

২. সুযোগ-সুবিধার দিকে নজর দিতে হবে:
নিজের এবং প্রতিষ্ঠান এর সুযোগ সুবিধার দিকে নজর দিলে অযথা পরিশ্রমের অপচয় দূর করা সম্ভব। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানগুলো যে কাজটি করে থাকে সেটি হচ্ছে, যত কাজের সুযোগ পায় তত কাজই হাতে নিয়ে নেয়। এর ফলে যেটি হয়, অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণে কোন কাজই সঠিকভাবে যথাসময়ে সম্পন্ন হয় না। এতে করে প্রতিষ্ঠানের দুর্নাম হয়। ফলে কমে যায় গ্রাহক সংখ্যা। কারণ গ্রাহক যে কাজের জন্য মূল্য দিচ্ছে সেই কাজ যদি সঠিক সময়ে সঠিকভাবে সম্পন্ন না হয়, তবে কেনই বা তারা পরবর্তীতে আবার একই প্রতিষ্ঠান ধার ধারবে?

৩. কঠোর পরিশ্রম করতে হবে:
একটি জিনিস আমাদের সবার মাথায় ভালো করে গেঁথে নেয়া দরকার। আর সেটি হচ্ছে সফলতা কোন সময়ই রাতারাতি অর্জিত হয় না। আমরা অনেককে রাতারাতি সফল হতে দেখে এই ভুল ধারণাটি আমাদের মাঝে জন্মে যায়। কিন্তু সাফল্যের পিছনে যে কত রাতের পরিশ্রম রয়েছে সেটি আমরা জানার চেষ্টা করি না। ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে বসে থাকলে সাফল্যের ছোঁয়া পাওয়া বড়ই মুশকিল।কঠোর পরিশ্রম দ্বারা ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারলেই হাতে ধরা দেবে সাফল্য। একজন সফল উদ্যোক্তা সকল কাজে নিজের সর্বোচ্চটুকু দেয়। আপনি যদি লক্ষ্য অর্জনের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যান তবে আপনার হতাশ হওয়ার কোন কারণই নেই। সাফল্য কোন না কোন সময় আপনার কাছে ধরা দেবেই।

৪. উপভোগ করতে শিখতে হবে:
লক্ষ্যের পেছনে ছুটে যেতে আপনাকে সবাই বলবে, কিন্তু সফল মানুষ আপনার সেই ছুটে যাওয়ার পথকে উপভোগ করতে শেখাবে। তারা আপনাকে শেখাবে চূড়ান্ত সাফল্যের পথে প্রতিটি অর্জনকে উদযাপন করতে। জীবনের অধিকাংশ মূল্যবান সময় লক্ষ্যের পেছনে ছুটতে গিয়ে সেই সময়টা যদি উপভোগই করতে না পারেন তবে কী লাভ সেই লক্ষ্য অর্জন করে? লক্ষ্য অর্জনের পথটা যদি উপভোগ্য হয় তাহলে আপনি এবং আপনার টিম কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন প্রচণ্ড উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে। এর ফলে লক্ষ্যে পৌঁছতে পারুন কিংবা না পারুন, কোন কাজ করা নিয়ে আপনার কিংবা আপনার টিমের মাঝে কোন ধরনের হতাশা কাজ করবে না।

৫.নিজের উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে:
বাস্তব জীবনের অনেক কিছুই কাগজে কলমের যুক্তিতে মিলে না। কাগজ কলম এর হিসাব অনেক সময় আমাদের ভুল নির্দেশনা দেয়। এই হিসাব গুলো যদি আমাদের কল্পনার সাথে মিলে যায় তাহলে আমাদের মনে হয় এটাই বুঝি একমাত্র সমাধান। কিন্তু আসলে তা নয়। সাফল্যের আরও অনেক রাস্তা রয়েছে। সেই রাস্তা গুলো খুঁজে পেতে হয় নিজের বিচার-বিবেচনা দ্বারা। তাই কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার পূর্বে নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন। যদি আপনি নিজেকে সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাস করেন তাহলে আপনার বিবেক আপনাকে ভুল নির্দেশনা দিবে না। নিজেকে সম্পূর্ণ বিশ্বাস না করলে আপনারা সিদ্ধান্তকে স্থির করতে পারবেননা। 

৬.নমনীয় হতে তবে লক্ষ্য অর্জনে অটল থেকে:
প্রত্যেক উদ্যোক্তা কেই সব সময় সব সময় চটপটে থাকতে হয়। নতুন তথ্যের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয় এবং সে অনুযায়ী পরিবর্তন আনতে হয়। আবার সেই সাথে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে থাকতে হয় সদা অটল। এখানেও বিবেক কাজে লাগে। প্রতিষ্ঠানিক কোন কোন পরিবর্তন আনলে তা লাভজনক হবে আবার কোন কোন পরিবর্তন আনলে প্রতিষ্ঠান ক্ষতির সম্মুখীন হবে তার জন্য বিবেকের কাছে প্রশ্ন করতে হবে।
যদি আপনি দৃঢ় চিত্তে বিশ্বাস করেন যে পরিবর্তন আনা উচিত তাহলে তা অবশ্যই করবেন। অন্যথায় আপনি এবং আপনার প্রতিষ্ঠান হতে পারেন ক্ষতির সম্মুখীন। অর্থাৎ যেই বিষয় গুলোতে নমনীয় হলে বাড়বে আপনার লক্ষ্য অর্জনের সম্ভাবনা, সেই বিষয়গুলোকে চিনতে পেরে নমনীয় হতে পারতে হবে।

৭.টিমের উপর নির্ভর করতে হবে:
একজন মানুষ এর পক্ষে সকল বিষয়ে পারদর্শী হওয়া সম্ভব নয়। যে যেই কাজটি পারে না তার সে কাজটি করে দেয়ার জন্য সেই বিষয়ে দক্ষ অন্য একজন মানুষের সাহায্য প্রয়োজন হয়। উদ্যোক্তারা সাধারনত এতটাই আত্মবিশ্বাসী হয় যে তারা বিশ্বাসই করতে চায় না যে কোন কাজ তাদের দ্বারা সম্ভব না। এই ভুল ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে অনেক সময় লাগে। তবে উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হতে হলে যত দ্রুত সম্ভব বেরিয়ে আসতে হবে এই ভুল ধারণা থেকে।
প্রথমে যেটি করতে হবে তা হচ্ছে নিজের দক্ষতা এবং সামর্থ্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা অর্জন করতে হবে। তারপর যেসব বিষয় আপনার অন্যান্য দক্ষ মানুষের সাহায্য লাগবে সেই বিষয়গুলো খুঁজে বের করতে হবে। তারপর খুঁজে বের করতে হবে সেই বিষয়গুলোতে দক্ষ কিছু মানুষ। নিজের মত মানুষ খুঁজে পাওয়া সহজ, কিন্তু নিজের চেয়ে ব্যতিক্রম মানুষ যারা কিনা ভিন্ন বিষয়ে দক্ষ, তাদের খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন একটি কাজ। এই কঠিন কাজটি যদি আপনি সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারেন তবে আপনি আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হওয়ার দিকে।

৮. বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে:
আপনি যদি সাধারণ কেউ হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি এখন যে কাজটি করার কথা ভাবছেন সেই কাজটির আইডিয়া স্বাভাবিকভাবেই আরো অনেকের মাথায় আসার কথা। সফলতা অর্জনের জন্য যে চমকপ্রদ কোন আইডিয়া প্রয়োজন তা কিন্তু সব সময় সত্য নয়। অতি সাধারণ একটি আইডিয়ার খুব চমৎকার একটি বাস্তবায়ন এনে দিতে পারে অসাধারণ সাফল্য। খেলাধুলার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পরিকল্পনা দ্বারাই কিন্তু খেলা জেতা যায় না। খেলা জেতার জন্য প্রয়োজন মাঠে নেমে যখন যা প্রয়োজন তা করতে প্রস্তুত থাকা।
ব্যবসার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা প্রায় একই রকম। দেখা গেল যে আপনি আপনার স্টার্টআপের জন্য অনেক অনেক পরিকল্পনা করলেন, পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইড বানিয়ে ভরিয়ে ফেললেন, কিন্তু এত এত পরিকল্পনার কোনো সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করলেন না। তাহলে কি লাভ হল এত কিছুর? কি করবেন এতো পরিকল্পনা দিয়ে?
 
৯. সততা এবং ন্যায়পরায়ণতা প্রদর্শন করতে হবে:
ভন্ডামি করে হয়তোবা সাময়িক সাফল্য অর্জন করা যায়। কিন্তু এই সাফল্য বেশিদিন বিদ্যমান থাকে না। আপনি দেখবেন যেসব প্রতিষ্ঠান তার গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করেছে সে সব প্রতিষ্ঠান সাময়িক ভাবে বেশ লাভবান হলেও তাদের পতনও খুব দ্রুত ঘটেছে। দীর্ঘস্থায়ী সাফল্যের জন্য যে দুটি গুণ প্রয়োজন তা হচ্ছে সততা এবং ন্যায়পরায়ণতা।আপনার কর্মকাণ্ডে এই দু’টি কোন প্রকাশ পাচ্ছে কিনা তা যাচাই করুন আপনার বিবেককে প্রশ্ন করার মাধ্যমে। এ দুটি গুণ কোন যদি আপনার মাঝে থাকে এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক কর্মকাণ্ড গুলো যদি আপনি সঠিকভাবে সম্পাদন করতে পারেন তবে সফলতা আপনার থেকে খুব বেশি দূরে নেই।

১০.প্রতিদান দিতে হবে:
এই অংশটি ভুলে গেলে চলবে না। যখন আপনার কর্মকাণ্ডে এই ব্যাপারটি ফুটে উঠবে তখনই কেবল মাত্র আপনি নিজেকে সফল হিসেবে বিবেচনা করতে পারবেন। আপনি যখন সফলতার দ্বারপ্রান্তে থাকবেন তখন খেয়াল করে দেখবেন অনেক মানুষ আপনার এই সফলতার পিছনে অবদান রেখেছে। আমরা অনেক সময়ই আমাদের সফলতার পিছনে যাদের অবদান রয়েছে তাদের সবাইকে এর প্রতিদান দিতে পারি না। কারণ অধিকাংশ সময় তাদের সবাইকে আমরা চিনতেই পারি না।
তাদের অনেকেই নীরবে সংগোপনে আমাদের সাহায্য করে গিয়েছেন। তাই তাদের এই অবদানের প্রতিদান হিসেবে যখন যাকে পারবেন তাকেই সাহায্য করবেন। 

আমি মনে করি এই ১০ টি কাজ ঠিকভাবে করতে পারলে আপনি হতে পারবেন উদ্যোক্তা হিসেবে সফল। কিন্তু সফলতা আসলে কি? এর উত্তর একেকজনের কাছে একেক রকম। এর কোন সার্বজনীন পরিমাপ নেই। বিল গেটস যেমন তার চোখে সফল, তেমনি মাদার তেরেসাও নিজের চোখে সফল। তাই আগে নিজেকে  নিজে প্রশ্ন করতে হবে আমার কাছে সফলতা মানে কি।

আসলে আমার মতে সফলতার মাপকাঠি কখনোই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হওয়া উচিত নয়। এই মাপকাঠি হওয়া উচিত কতগুলো মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে তার পেরেছেন সংখ্যা কতো। আমাদের সফলতার অভিযানে এই মাপকাঠি প্রয়োগ করলে যেমন আমরা প্রকৃত সাফল্য অর্জন করতে পারবো তেমনি আমাদের পারিপার্শ্বিক পরিবেশটাকে করতে পারবো আরও সুন্দর।

লেখক,
মোঃ শা হ্ জা লা ল.
একজন গণমাধ্যম কর্মী ও সাবেক ছাত্রনেতা। 
                                    -০-

শাহ্‌ জালাল / ইসরাফিল হোসেন


মন্তব্য করুন

যশোরে তিন কিশোর নিহত: দুর্নীতি ও মাদক ব্যবসাকেই দায়ী করছেন নাগরিক সমাজ

বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালী জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান: ইঞ্জিনিয়ার আলমগীর

কোটচাঁদপুরে জাতীয় শোক দিবস পালন

কেশবপুরে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন

নাটোরে জাতীয় শোক দিবস পালন

শোক দিবস উপলক্ষে ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটির উদ্যোগে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মুরাদনগরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্যের মধ্য দিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন

অনেক কিছু খোলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও খোলা হবে

কেশবপুরে বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

করোনা এমনিতেই বাংলাদেশ থেকে চলে যাবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মত প্রকাশের স্বাধীনতা একেবারে জাদুঘরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে: রিজভী

তেহরানে জাতীয় শোক দিবস পালিত, ফার্সি ভাষায় প্রকাশিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী'

কালীগঞ্জে সুপারি গাছ থেকে পড়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সিয়াম!

কারাগার থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এহসান হাবিব সুমন এর খোলা চিঠি

এসএসসি পরীক্ষাঃ বাংলা দ্বিতীয় পত্রে বেশি নম্বর সহজেই...

যেকোন সময় ঘোষণা হতে পারে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি

যশোরে এবার সরকারি চালসহ ঘাতক দালাল নিমূল কমিটির নেতা আটক

৫০ বছর ধরে দল করেও সুবিধা বঞ্চিত আ'লীগের প্রচার সম্পাদক নূরুল হক

যশোরের রাজগঞ্জে ৫৬ যুবকের উদ্যোগে ভাসমান সেতু র্নিমাণ

কেশবপুরের শাহীনের সেই ভ্যানটি উদ্ধার, আটক তিনজন

লালমনিরহাটে এক বিধবা মা বাইসাইকেল চালিয়ে ৪২ বছর স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন

নোংরা রাজনীতির শিকার যশোরের এমপি স্বপনের ছেলে শুভ

নারী সহকারীর সঙ্গে ডিসির অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল, সংবাদ না করার অনুরোধ

ব্যাচমেট হিসেবে সাইয়েমার পক্ষে সকলের কাছে ক্ষমা চাইলেন কেশবপুরের এসিল্যাণ্ড

আপনার কাছে জনপ্রিয় খেলা কোনটা ?

  ক্রিকেট

  ফুটবল

  ভলিবল

  কাবাডি

অফিস ঠিকানা  

আর এল পোল্ট্রি, উপজেলা রোড, কেশবপুর বাজার, যশোর।
মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

প্রকাশক ও সম্পাদক 

মোঃ মাহাবুবুর রহমান (মাহাবুর)

মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা