আজ বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭           আমাদের কথা    যোগাযোগ

শিরোনাম

  প্রতিনিধি হইতে ইচ্ছুকরা ০১৭৪৭৬০৪৮১৫ নাম্বারে যোগাযোগ করুন।  

বন্ধুসুলভ সম্পর্ক "মনোজ বসু ও জসীমউদ্দীন": তাপস মজুমদার


 বন্ধুসুলভ সম্পর্ক "মনোজ বসু ও জসীমউদ্দীন": তাপস মজুমদার

প্রকাশিতঃ শনিবার, জুলাই ২৫, ২০২০   পঠিতঃ 34398


বাংলা সাহিত্যের সম-সাময়িক সময়ের দুইজন নক্ষত্র একজন পল্লী কবি জসীমউদ্দীন অন্যজন কালজয়ী সু-সাহিত্যিক মনোজ বসু। প্রায় সমবয়সি ছিলেন তাঁরা। মনোজ বসুর জন্ম ২৫ জুলাই ১৯০১ খ্রীস্টাব্দে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলাধীন ডোঙ্গাঘাটা গ্রামে। অন্যদিকে পল্লীকবি জসীমউদ্দীন জন্মেছিলেন ১ জানুয়ারি ১৯০৩ খ্রীস্টাব্দে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে। মনোজ বসুর পিতা রামলাল বসু মাতা বিধুমুখী বসু। আজ তাঁর ১১৯ তম জন্মবার্ষিক। মনোজ বসুর লেখাপড়ার হাতে খড়ি নিজ গ্রামের পাঠশালায়। তারপর পাঁজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়েছেন অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত। মনোজ বসুর বাবা যখন মারা যান তখন তাঁর বয়স আট বছর। তারপর অনেক অভাবের মধ্যে দিয়ে তাকে পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। জীবনের চল্লিশ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করেছেন তবুও তিনি সাহিত্য সাধনা ত্যাগ করেননি। তিনি নিজেই বলেছেন -‘লেখার দুর্মতি কি করে এলো শুনুন সেই গল্প-বাবা অল্প স্বল্প লিখতেন, ঠাকুরদাদার হাতের লেখা বড় কেতাব অতি শৈশবে দেখেছি-নিজের রচনা অথবা অন্যের কেতাব নকল করা সঠিক করে বলতে পারবো না। লেখার বীজ ছিল রক্তের মধ্যেই। অভাব দুঃখের মধ্যে ফেলে বিধাতা পুরুষ বিস্তর মেহনত করেছিলেন বীজটুকু নিঃশেষ করে দিতে। পারেনি মনের তলে চাপা ছিলো। সুযোগ এতটুকু পেয়েছি কি অঙ্কুরোদগম’। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা উপন্যাস ভুলিনাই, সেই গ্রাম সেইসব মানুষ, বনকেটে সত, বাঁশের কেল্লা, জলজঙ্গল, নিশিকুটুম্ব ইত্যাদি, নাটক নতুন প্রভাত, বিপর্যয়, রাখি বন্ধন, ডাক বাংলো উত্যাদি, ছোটগল্প উলু, কাঁচের আকাশ, দিল্লী অনেক দূর, নরবাঁধ, দেবী কিশোরী, একদা নিশীথ কালে ইত্যাদি।

বাংলার এই দুই পল্লী প্রেমিকের ভিতর ছিলো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। সমসাময়িক সময়ের মানুষ। বয়সের ব্যবধান মাত্র দেড় বছর। যে কারণে তাঁদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিলো বন্ধুসুলভ। তাঁরা একে অপরের সাহিত্য সম্পর্কে যেমন জানতেন তেমনি দু’জন দু’জনার সাহিত্যসৃষ্টি নিয়ে আলোচনা করতেন। তাঁদের ভিতর সম্পর্কটা কেমন ছিলো সেটা মনোজ বসুর নিজের কথায় শোনা যাক-“জসীমউদ্দীন কবি হিসেবে তখন খুব নাম করে ফেলেছেন। একদিন আমি বসে আছি, জসীম এসে আমায় নাম ধরে খোঁজ করছে, অমুক কবি কে বলো দেখি। থাকেন কোথায় ? চেনো নাকি ? আমার একটি কবিতা কোথায় ছাপার অক্ষরে পড়েছে। ভীষণ ভালো লেগেছে তাঁর। যাকে পাচ্ছে, শোনাচ্ছে এবং সারা কলকাতায় কবিকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। কী উল্লাস আমায় পেয়ে!’ তারপর থেকে তাঁরা ঘনিষ্ঠ হয়েছেন। লেখা লেখি করেছেন একসাথে। বিভিন্ন সংগঠন করেছেন একসাথে। ১৩৩৭ সালে পল্লী সম্পদ রক্ষা সমিতি প্রতিষ্ঠিত হলে জসীমউদ্দীন ও মনোজ বসু সমিতির দুই প্রধান যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এ থেকে বোঝা যায় তাঁরা একে অপরের খুব কাছের মানুষ ছিলেন। যখনকার ঘটনা এটি ততক্ষণে জসীমউদ্দীন বিখ্যাত হয়ে গেছেন যে কারণে জসীমউদ্দীনের প্রভাব মনোজ বসুর ভিতর হয়তো পড়েছিলো। কর্ম জীবনে তাঁরা দুইজনেই ছিলেন শিক্ষক। জসীমউদ্দীন কবিতা নাটক, আত্মকথা,  ভ্রমণ কাহিনী সঙ্গীত ও একটি উপন্যাস ( বোবা কাহিনী) রচনা করেছেন। মনোজ বসু’র রচনা সম্ভারও অনেক প্রসিদ্ধ। তিনি কবিতা লিখেছেন,অনেকগুলো বিখ্যাত উপন্যাস, ভ্রমণ কাহিনী ও নাটক রচনা করেছেন।

লক্ষ্য করলে দেখা যায় মনোজ বসু ও বাংলার পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের সাহিত্য সৃষ্টিতে একটি বিষয়ে ভীষণ মিল খুজে পাওয়া যায়। পল্লী কবি জসীমউদ্দীন তাঁর কবিতায় যে ভাবে গ্রাম বাংলার পল্লী প্রকৃতিতে অপরুপ রুপে দেখেছেন এবং তুলে ধরেছেন ঠিক তেমনি মনোজ বসুও তাঁর গল্প কিংবা উপন্যাসে গ্রাম, প্রকৃতি, পল্লী জীবনের এবং গ্রামের অতি সাধারণ মানুষের সমাজচিত্রকে চমৎকার করে তুলে ধরেছেন। মনোজ বসু  তাঁর প্রতিটি রচনাতে গ্রামবাংলার যে অসাধারণ চিত্র তা ফুটিয়ে তুলেছেন পরম মমতায় তাঁর লেখনী শব্দ মালায়। অপরদিকে জসীমউদ্দীনের কবিতা সম্পর্কে সুনীলকুমার মুখোপাধ্যায় তাঁর ‘কবিতায় গ্রামের দিকে সংকেত’ নিবন্ধে বলেছেন “বাংলা কাব্যের প্রকৃতি যখন এমনি করে পালটে যাচ্ছিল, বহু শতাব্দীর ঐতিহ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তা যখন সাধারণ পাঠক চিত্তে আবেদন সৃষ্টির স্বাভাবিক ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিলো, দেশের বৃহত্তর জনমানস থেকে তা যখন ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছিল, তখন দূরাগত রাখালের বংশীধ্বনির ন্যায় জসীমউদ্দীনের কবিতা আমাদের পল্লীর মাধুর্যময় রুপের দিকে আকর্ষণ করার প্রয়াস পেয়েছিলো।” জসীমউদ্দীন তাঁর কবিতার পংক্তিতে পল্লীর অপরুপ রুপকে যে ভাবে ছন্দবদ্ধ করেছেন তাতে পাঠক সে কবিতা পড়ার সময় যেন চলে যায় পল্লীর অপরুপ সৌন্দর্যের মাঝে। তেমনি মনোজ বসুর গল্প কিংবা উপন্যাসের মাঝে আমরা লক্ষ্য করি পল্লী,প্রকৃতি ও প্রেম। অধিকাংশ রচনার মধ্যে তাঁর জন্মগ্রাম গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে। তাঁর শ্রেষ্ঠ গল্পের সম্পাদক লিখেছেন- ‘পল্লীপ্রকৃতি ও মানুষে গলা জড়াজড়ি করে তাঁর গল্প উপন্যাসের জমি তৈরী করেছেন। অন্যের গল্পে যখন গল্প গ্রাম থেকে শহরে উপনীত হয়, মনোজ বসুর গল্প তখন শহর থেকে গ্রামে পরিক্রমা করে।’

প্রসঙ্গক্রমে যদি মনোজ বসুর একটি গল্পের কথা ও জসীমউদ্দীনের একটি কাব্যের কথা এখানে একটু আলোকপাত করার চেষ্ঠা করি তাহলে এভাবে বলা যায়- জসীমউদ্দীনের একটি কাব্যের নাম ‘ধানখেত’ ধানখেত কাব্য গ্রন্থের অন্যতম কবিতা ‘ধানখেত’। বাংলার চাষী জীবনের সমস্ত আশা আকাঙ্খার প্রতীক যে ধানখেত তা যেন কবি এ কবিতাটিতে শতভাগ ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম। ধানখেত কাব্যগ্রন্থ আলোচনায় এই কবিতা সম্পর্কে সুনীলকুমার মুখোপাধ্যায় বলেছেন-“সোনার ধানেরখেত চাষী জীবনের আশা আকাঙ্খার প্রতীক আর তাই তো তা কবির মনকেও নিগূঢ় আনন্দ দেয়। নীল আকাশের নীচে বাতাসের দোলায় খুশী ঝলমল ধানখেত দুলছে, শীতের কাঁচা রোদের রঙ মেখে তা আরও অপরুপ হয়ে দেখা দিয়েছে। কবির সব দেখে মনে হয় যেন ‘ঝলমল বসন টানি দোলে মাটির স্বরগ খানি। কবির কাছে এ এক গরবের সামগ্রী- তাঁর সাধনার সার্থকতার প্রতীক।--- মাটির বুকে এ ধানের খেত চাষীর সকল আনন্দ, সকল গর্বের বস্তু, তাই তো মাটির সঙ্গে তার প্রাণের সম্পর্ক।” মূলত চাষীজীবনের এবং গ্রাম বাংলার মানুষের আশা আকাঙ্খা, ভালোবাসা জীবন- জীবীকা ধান খেতের সৌন্দর্য সব কিছু যেন চমৎকার ভাবে ফুটে উঠেছে। অপরদিকে কালজয়ী সু-সাহিত্যিক মনোজ বসুর অন্যতম ছোট গল্প ‘ধানবনের গান’ গল্পকার এই গল্পটি শুরু করেছেন এইভাবে ‘ধানগাছ গান গায়, ধানবন ডেকে ডেকে রুপ দেখায়, শুনেছ কখনো ? মেঘের মতো কালো কচি কচি ধানের চারা- দেমাক তাদের গায়ে ধরে না। তুমি যদি আল পথে যাও কোনদিন, থমকে দাঁড়াতে হবে। সাধ্য কি, হা করে খানিক না তাকিয়ে থেকে চলে যেত পার।” ধান গাছ নিয়ে এত চমৎকার গল্প, গ্রামের সাধারণ মানুষের কত আশা আকঙ্খার প্রতীক এই ধানগাছ সেই ধানখেত ধানগাছের অতি বাস্তবচিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন বিভাগ পূর্ব প্রথম সারির গল্পকার মনোজ বসু। আবার যদি মনোজ বসু’র অন্যতম উপন্যাস ‘সেই গ্রাম সেই সব মানুষ’ থেকে একটু ঘুরে আসার চেষ্ঠা করি তাহলে দেখা যাবে তিনি কত সাবলিলভাবে গ্রামের চিত্রকে তুলে ধরেছেন তাঁর এই উপন্যাসে। তবে মনোজ বসু উপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশের পূর্বে নাট্যকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। মনোজ বসুর সমস্ত সাহিত্য কর্মের মূল ভিত্তি হলো তাঁর নিজ জন্মভূমি কেশবপুরের ডোঙ্গাঘাটা এবং তাঁর আশে পাশের এলাকা। ‘সেই গ্রাম,সেই সব মানুষ, ভুলিনাই, বন কেটে বসত, জলজঙ্গল এমনি উপন্যাসগুলি পাঠককে নিয়ে যাবে গ্রাম্য সমাজ জীবনে। তাইতো  জসীমউদ্দীনের মতো গ্রামই মনোজ বসুর রচনার প্রথম প্রেম। তাঁর স্মৃতিমূলক রচনা ঝিলিমিলি-তে তিনি নিজেই লিখেছেন-‘গ্রাম আমার সুন্দরবন অঞ্চল থেকে দূরবর্তী নয়। কাঠ কাঠতে মধু ভাঙতে জীবিকার শতাবিধ প্রয়োজনে লোকে বনে যায়-বাঘ কুমির সাপের কবলে পড়ে তার মধ্যে কত জন আর ফেরে না।” এমনিভাবে গ্রামের বর্ণনা তিনি দিয়েছেন তাঁর একাধিক রচনাতে। শুধু যে উপন্যাসে তিনি পল্লী প্রকৃতিকে শব্দের মালায় লিপিবদ্ধ করেছেন তা নয় তাঁর  ধান বনের গানের মতো বহু বিখ্যাত ছোট গল্প রয়েছে পল্লী ও প্রকৃতিকে ঘিরে। ‘বনমর্মর’ গল্প সম্পর্কে শ্রীকুমার  বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের শ্রেষ্ঠ গল্প বলে উল্লেখ করেছেন। এ গল্পেও আমরা প্রকৃতিকে খুজে পাই।  উপন্যাস ছাড়াও বিভাগ পূর্বে একজন ছোটগল্পকার হিসেবে যদি মনোজ বসুকে বিচার করা হয় তাহলে বলা যায়- তাঁর বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত বিখ্যাত উপন্যাসগুলো তিনি যদি রচনা নাও করতেন তাহলে একজন বিখ্যাত ছোট গল্পকার হিসেবে প্রসিদ্ধ হতেন পল্লী এবং প্রকৃতিকে ভালবাসা এই সু-সাহিত্যিক। 
 

তাপস মজুমদার
প্রভাষক, লেখক ও প্রাবন্ধিক।

কামরুজ্জামান রাজু / কামরুজ্জামান রাজু


মন্তব্য করুন

জৈন্তাপুরে সর্বদলীয় নাগরিক শোক সভা অনুষ্ঠিত

মনিরামপুর ইউএনও অফিসে আবেদনের তথ্য চেয়ে পায়নি প্রেসক্লাবের সভাপতি

কেশবপুরের পল্লীতে হয়রানির ঘটনায় থানায় অভিযোগ

আমি সৎ,দক্ষ ও সজ্জন বললেন সাবেক স্বাস্থ্য ডিজি

দেশে করোনায় মৃত্যু সাড়ে ৩ হাজার ছাড়িয়ে

নিজের গাড়ি ভেঙ্গে আ'লীগ-ছাত্রলীগের নামে মামলা করল উপজেলা চেয়ারম্যান

করোনায় আক্রান্ত রুমিন ফারহানা

শোক দিবসকে সামনে রেখে কেশবপুরে যুবলীগের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারে ১০০ জনের করোনা শনাক্ত

অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে চার বিভাগের উপর কড়া নজর অর্থ মন্ত্রালয়ের

মনিরামপুর অনলাইন ক্লাস জনপ্রিয় হয়ে উঠছে

মনিরামপুরের কৃতিসন্তান ডুমুরিয়া থানা অফিসার বিপ্লব গুরত্বর অসুস্থ

কালীগঞ্জে সুপারি গাছ থেকে পড়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সিয়াম!

কারাগার থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এহসান হাবিব সুমন এর খোলা চিঠি

এসএসসি পরীক্ষাঃ বাংলা দ্বিতীয় পত্রে বেশি নম্বর সহজেই...

যেকোন সময় ঘোষণা হতে পারে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি

যশোরে এবার সরকারি চালসহ ঘাতক দালাল নিমূল কমিটির নেতা আটক

৫০ বছর ধরে দল করেও সুবিধা বঞ্চিত আ'লীগের প্রচার সম্পাদক নূরুল হক

যশোরের রাজগঞ্জে ৫৬ যুবকের উদ্যোগে ভাসমান সেতু র্নিমাণ

কেশবপুরের শাহীনের সেই ভ্যানটি উদ্ধার, আটক তিনজন

লালমনিরহাটে এক বিধবা মা বাইসাইকেল চালিয়ে ৪২ বছর স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন

নোংরা রাজনীতির শিকার যশোরের এমপি স্বপনের ছেলে শুভ

ব্যাচমেট হিসেবে সাইয়েমার পক্ষে সকলের কাছে ক্ষমা চাইলেন কেশবপুরের এসিল্যাণ্ড

নারী সহকারীর সঙ্গে ডিসির অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল, সংবাদ না করার অনুরোধ

আপনার কাছে জনপ্রিয় খেলা কোনটা ?

  ক্রিকেট

  ফুটবল

  ভলিবল

  কাবাডি

অফিস ঠিকানা  

আর এল পোল্ট্রি, উপজেলা রোড, কেশবপুর বাজার, যশোর।
মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

প্রকাশক ও সম্পাদক 

মোঃ মাহাবুবুর রহমান (মাহাবুর)

মোবাইলঃ   ০১৭১৯২৮০৮২৭
ইমেইলঃ   info@kopotakkhonews24.com

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা